www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

August 5, 2026 3:33 pm

কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) বললেই মনে পড়ে যায় তারাপীঠের কথা

কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) বললেই মনে পড়ে যায় তারাপীঠের কথা। ভাদ্র মাসের এই অমাবস্যার জন্য সারা বছরের অপেক্ষা থাকে ভক্তদের। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনে মা তারার কাছে মন থেকে কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরতে হয় না। কিন্তু ২০২৬ সালে এই অমাবস্যা ঠিক কবে পড়েছে? পুজো দেওয়ার সঠিক সময়টাই বা কখন? তিথি শুরু: ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ১১ মিনিটে অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে।তিথি শেষ: ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে অমাবস্যা ছেড়ে যাবে।তাই ভক্তরা মা তারার পুজো ও সাধনার জন্য এই নির্দিষ্ট সময়টুকুই পাবেন।

পেছনে রয়েছে এক পৌরাণিক গল্প। শুম্ভ আর নিশুম্ভ নামে দুই অত্যাচারী অসুর ব্রহ্মা দেবের কাছ থেকে বর পেয়েছিল যে, কোনও মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া নারী তাদের মারতে পারবে না। অর্থাৎ ‘অযোনিসম্ভূতা’ নারী ছাড়া তাদের বধ করা অসম্ভব।সেই সময় দেবী পার্বতীর গায়ের রঙ একটু কালো ছিল বলে মহাদেব তাঁকে ভালোবেসে ‘কালিকা’ বলে ডাকতেন। এক দিন সবার সামনে ওই নামে ডাকায় দেবীর মনে খুব অভিমান হয়। তিনি মানস সরোবরের তীরে গিয়ে কঠোর তপস্যা শুরু করেন। তপস্যা শেষে সরোবরের জলে স্নান করতেই দেবীর গায়ের সব কালো কোশ ঝরে পড়ে। আর দেবী পার্বতী হয়ে ওঠেন পূর্ণিমার চাঁদের মতো ফর্সা ও সুন্দরী।দেবী পার্বতি শরীর থেকে ঝরে পড়া সেই কালো কোশ (cell) থেকেই জন্ম নেন আরেক নতুন দেবী। কোশ থেকে জন্ম হয়েছে বলেই তাঁর নাম হয় কৌশিকী। তিনিই পরবর্তীতে ভাদ্র মাসের এই বিশেষ দিনে দুই অসুরকে বধ করে দেবতাদের রক্ষা করেছিলেন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *