www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 27, 2026 12:34 pm

এঁকেবেঁকে, সরসরিয়ে চলা তেলতেলে শরীরটা দেখলেই গায়ে কাঁটা দেয় অনেকের।

এঁকেবেঁকে, সরসরিয়ে চলা তেলতেলে শরীরটা দেখলেই গায়ে কাঁটা দেয় অনেকের। সে ছবিতে হোক, পর্দায় হোক বা চোখের সামনে। চলন্ত সাপ দেখলে শিউরে ওঠেন বহু মানুষ। মুখোমুখি হলে জ্ঞান হারাবেন এমন ভীতুও কম নেই। অথচ সেই ভয়কে জয় করে সাপকে ভক্তি ভরে পুজো করা হয় এ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে। কোথাও তিনি শেষনাগ, কোথাও নাগরাজ বাসুকি, কোথাও বা মা মনসা! বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নাম। সেই সব মন্দির এক একটি তীর্থস্থান। তার রীতি-রেওয়াজ-গল্পও নানা রকমের।

  • দেশের উত্তরে জম্মু ও কাশ্মীরের কথাই ধরা যাক। সেখানে পাটনিটপের নাগমন্দিরে সাপের পুজো করা হচ্ছে গত ৬০০ বছর ধরে। পাহাড়ের শীর্ষে মন্দির। সেই মন্দির উৎসর্গ করা নাগ দেবতাকে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, দেবতা ছবি তোলা পছন্দ করেন না। কেউ যদি ছবি তুলে ফেলেন, তবে দেবতা সাপের ভয়ঙ্কর সব স্বপ্ন দেখান ‘দুষ্ট’কে।
  • গুজরাতের ভুজে নাগদেবতার নাম ভুজঙ্গ। পুরাণ অনুযায়ী ভুজঙ্গ নাগ ছিলেন পাতালের রাজা শেষনাগের ভাই। তিনি গুজরাতের কচ্ছ অঞ্চলকে অসুরদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। ভয়াবহ সেই যুদ্ধে মৃত্যু হয় শেষনাগের। তাঁর স্মৃতিতেই কচ্ছ অঞ্চলের ভুজিয়া পাহাড়ের মাথায় তৈরি হয় মন্দির।
  • স্থানীয়দের বিশ্বাস ভুজঙ্গ নাগই ভুজকে ধ্বংসের হাত থেকে ক্রমাগত রক্ষা করে চলেছেন। সাপ এখানে রক্ষকের ভূমিকায়। ভুজের নামও সম্ভবত তাঁর নাম থেকেই।
  • মন্দার পর্বতে বাসুকি নাগকে পেঁচিয়ে সমুদ্রমন্থন করেছিলেন দেবাসুরেরা। মন্থনের পর যখন বাসুকি আঘাতে জর্জরিত, তখন বিষ্ণু তাঁকে প্রয়াগরাজে বিশ্রাম নিতে বলেন। ত্রিবেণী সঙ্গমের জলে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। প্রয়াগরাজে বাসুকির অধিষ্ঠান তখন থেকেই বলে বিশ্বাস।
  • প্রয়াগরাজের নাগ বাসুকি মন্দিরটি যদিও দশম শতাব্দী থেকে রয়েছে বলে মনে করা হয়। এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল, এখানে কালসর্প দোষ কাটানোর পুজো করা হয়। হয় রুদ্রাভিষেক। ভক্তেরা দুধ, ফুল, পানপাতা, সিঁদুর, তিল এবং ডাল দিয়ে পুজো দেন পঞ্চ মুণ্ডের নাগ বাসুকি বিগ্রহের।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *