এই নিয়েই আছে পুরানের এক সুন্দর গল্প। আজকে আমরা সেই গল্পই নিবেদন করবো। কথিত রয়েছে, একসময় নদীর ধারে গভীর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন গণেশ। সেই সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন দেবী তুলসী। গণেশের রূপ ও তেজে মুগ্ধ হয়ে তাঁর মনে গণেশকে বিবাহ করার ইচ্ছা জাগে। এরপর তিনি গণেশের ধ্যান ভঙ্গ করে নিজের মনের কথা জানান। তবে গণেশ নিজেকে ব্রহ্মচারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তুলসীর বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তুলসী অত্যন্ত রেগে যান এবং গণেশকে অভিশাপ দেন যে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গণেশের দু’টি বিবাহ হবে। তুলসীর এই অভিশাপে গণেশও ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁকে পাল্টা অভিশাপ দেন। তিনি বলেন, তুলসীর বিবাহ কোনও দেবতার সঙ্গে নয়, এক অসুরের সঙ্গে হবে এবং তাঁকে অসুরের স্ত্রী হতে হবে।
নিজের দেওয়া অভিশাপের পরিণতি শুনে তুলসী নিজের ভুল বুঝতে পারেন। তিনি গণেশের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে গণেশ তাঁকে ক্ষমা করেন এবং আশীর্বাদ দেন যে তিনি ভবিষ্যতে ভগবান বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠবেন।পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, সেই ঘটনার পর থেকেই গণেশ পুজোয় তুলসী পাতা অর্পণ করা নিষিদ্ধ বলে মনে করা হয়।
