www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 30, 2026 7:04 pm

করাচিতে প্রমাণ হয়ে গেলো ধর্ম আলাদা হলেও লক্ষ সকলেই এক - 'ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানো'।

করাচিতে প্রমাণ হয়ে গেলো ধর্ম আলাদা হলেও লক্ষ সকলেই এক – ‘ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানো’। তাই প্রমাণ করলো করাচির এক মুসলিম শিল্পী। যত্ন সহকারে করাচির মারাঠি পরিবারের গণেশমূর্তি রং করে সেই কথাই মনে করিয়ে দিলেন পাকিস্তানের এক মুসলিম শিল্পী! গণেশ চতুর্থীর আগে সমাজমাধ্যম ভাইরাল হয়েছে সীমান্তপারের এই হৃদয়স্পর্শী ভিডিও। নেটিজেনরা বলছেন, সংস্কৃতির এমন মেলবন্ধনই ঘোচাতে পারে বিদ্বেষের বিষ।
ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন অমর প্রকাশ নামের এক যুবক। তিনি নিজেকে করাচি-নিবাসী একজন মারাঠি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, একটি মন্দিরের ভিতরে রাখা গণেশ মূর্তি। মুখে দাঁড়ি, মাথায় ফেজ টুপি পরা এক শিল্পী সেটিকে নিষ্ঠার সঙ্গে রং করছেন।

প্রথমে ‘স্প্রে পেইন্ট’ (এক ধরনের রং) ব্যবহার করেন মূর্তিতে। এরপর মূল রং বা ‘বেস কালার’ লাগান তিনি। ধীরে ধীরে মূর্তিতে সোনালি ও রুপালি রঙের আভা ফুটে ওঠে। ঝলমলে মূর্তিটি যেন প্রাণ পায়। এই ভিডিওর ক্যাপশানে অমর লিখেছেন, ‘‘করাচিতে একটি মহারাষ্ট্রীয় পরিবারের পরিচালনায় থাকা ‘গণেশ মঠ মন্দির’-এর ভেতরে এক মুসলিম শিল্পী গণপতি বাপ্পার মূর্তিতে রং করছেন।’’ ভিডিওর উপর লেখা— “কে হিন্দু, কে মুসলিম? গণেশের মহিমা এবং করাচির সৌন্দর্য।” এই ভিডিওই মন জিতে নিয়েছে নেটপাড়ার। নিমেষে ভাইরাল হয়েছে সেটি। লাইক-কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “মানবতাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম।’’

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *