www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 27, 2026 12:39 pm

জঙ্গলে বাঘ বা বাঘিনীর স্থায়ী বসবাসের অন্যতম দুটি শর্ত - পর্যাপ্ত খাদ্য ও প্রযোজনের সাথী। এর ঘাটতি হলেই এলাকা ছাড়ে সে।

জঙ্গলে বাঘ বা বাঘিনীর স্থায়ী বসবাসের অন্যতম দুটি শর্ত – পর্যাপ্ত খাদ্য ও প্রযোজনের সাথী। এর ঘাটতি হলেই এলাকা ছাড়ে সে। বিহারের থেকে ‘বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ’ থেকে একেবারে হেলিকপ্টারে উড়িয়ে আনা হয়েছিল তাকে। কিন্তু এক মাসও গেল না। বাঘিনি হাওয়া। কিন্তু কেন এমনটা হল?বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কি? এই সব প্রশ্ন উঠতেই মুখ খুললেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা বিজেপি বিধায়ক মনোজ কুমার ওরাওঁ। এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে জানালেন, বাঘ বা বাঘিনি কেউই জানে না কোনটা কোন রাজ্যের সীমানা।বনমন্ত্রী এও বুঝিয়ে বললেন কেন বাঘিনি অন্যত্র চলে গিয়েছে। মনোজ বলেন, “বাঘিনি জানে না কোনটা অসম কোনটা বেঙ্গল আর কোনটা ভুটান। ওদের যখন ছাড়া হয়, তখন আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখার চেষ্টা করে। তারপর স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করে।” এক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক এও বলেছেন, “ওকে যখন প্রথম আমরা ছাড়ি তখন থেকেই মনিটর করা শুরু করি। ও এখন আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখছে। আর এই যে অসমে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে বিষয়টা তেমন নয়। আমার বাড়ি থেকে অসম তিন কিলোমিটার।এখন যদি বলেন আমি অসমে চলে গিয়েছি তেমনটা তো আর নয়।” গত ২ অক্টোবর বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে তিন বছর বয়সি ওই বাঘিনিকে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে এনে ছাড়া হয়। বক্সায় বাঘের পরিবারের স্থায়ী বসবাস গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছিল রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বক্সার জঙ্গলে বাঘিনিটিকে ছাড়েন। কিন্তু বক্সায় ছাড়ার পর কার্যত সেখানে বেশিদিন থাকলই না বাঘিনিটি। শেষ পর্যন্ত অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে দিকে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *