গঙ্গা বা পদ্মা নয়, একদম গুজরাট থেকে ইলিশ সাপ্লাই হচ্ছিলো বাংলাদেশে। কিন্তু সেই ইলিশের স্বাদ নেই। আর সেই কারণেই বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়ে দিলো তারা আর ভারত থেকে ইলিশ কিনবে না। গুজরাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশে। এহেন ঘটনায় স্বভাবতই সেদেশে অস্বস্তি বেড়েছে। ফলে ভারত থেকে ইলিশ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বসাল তারেক রহমান সরকার। ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে সেই নিষেধাজ্ঞা। তবে পুজোর সময়ে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করতে চেয়ে ১৮টি সংগঠন অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের কাছে।
চলতি বছর বাংলাদেশে একধাক্কায় ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই কমে গিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম দু’মাসে হরিদাসপুর সীমান্ত হয়ে যশোর জেলার বেনাপোল বন্দরে পৌঁছেছে ভারতের ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ২২৬ কেজি ইলিশ। এর মধ্যে জুলাই মাসে ২৯ হাজার ৮৮০ কেজি এবং আগস্টে ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ বাংলাদেশে রপ্তানি হয়েছে।
গুজরাটের ভারুচ বন্দর থেকে তো বটেই, হাওড়া পাইকারি মাছ বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশে। ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছে বলে খবর। ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশ খেতে গিয়ে স্বভাবতই বাংলাদেশি আমজনতার হাতে ছেঁকা লেগেছে। অনেক বেশি দাম বিকিয়েছে ভারতের ইলিশ। এহেন পরিস্থিতিতে তারেক সরকার সিদ্ধান্ত নিল, বাংলাদেশে ভারতের ইলিশ আমদানি করা যাবে না। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মহম্মদ খালেদ কনকের নির্দেশে বাতিল হয়েছে ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনুমতিপত্র। ২২ সেপ্টেম্বরের এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। যদিও বাংলাদেশের বাজারে ইলিশের জোগানে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।
