কলকাতা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে সেই জঙ্গল। বীরভূমের মল্লারপুরের কাছে রয়েছে সেই জঙ্গল। রামপুরহাট থেকে সিউড়ি যাওয়ার পথে পড়ে এই জঙ্গল। ইলামবাজারের জঙ্গলের থেকেও গভীর সেই জঙ্গল । এই জঙ্গলের গেলেই সেই জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্জার উপলব্দি করা যাবে। এই গণপুর জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে একটি শিবমন্দির। সেটি নাকি ৫ হাজার বছরের পুরনো। চারিদিকে শাল গাছের জঙ্গল। তার মাঝখানে রয়েছে সেই পোড়া মাটির তৈরি শিব মন্দির। এই মন্দির ঘিরে রয়েছে পৌরানিক গল্প। বলা হয়ে থাকে মহাভারতের জয়দ্রথ নাকি এই শিব মন্দিরে এসে মহাদেবের সাধনা করেছিলেন। মহাদেব সেই সাধনায় খুশি হবে বর দান করেছিলেন জয়দ্রথকে। তারপর থেকেই এখানে আশ্রম তৈরি হয়। অনেক সন্ন্যাসীই আসেন এই মন্দিরে উপাসনা করতে। এই মন্দিরে আসার পথটিও ভীষণ সুন্দর।
গণপুর জঙ্গলে যেতে হলে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে ট্রেন ধরতে হবে। রামপুরহাট স্টেশনে নেমে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে গণপুরের জঙ্গলে। রামপুরহাট থেকে ২১ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে গণপুর জঙ্গল। রামপুরহাট থেকে সিউড়ি যাওয়ার পথেও রয়েছে এই গণপুরের জঙ্গল। আবার গাড়িতেও যাওয়া যায় এই জঙ্গলে। তবে জঙ্গল সাফারির কোনও ব্যবস্থা নেই নিজেদের গাড়িতেই যেতে হবে জঙ্গলের ভেতরের মন্দিরে। গণপুর জঙ্গলের কাছেই রয়েছে শান্তিনিকেতন। অর্থাৎ শান্তিনিকেতন ঘুরতে গিয়ে অনায়াসে বেড়িয়ে আসতে পারেন এই গণপুরের জঙ্গল থেকে। আবার তারাপীঠ থেকেও যাওয়া যায় গণপুরের জঙ্গলে। কাজেই সপ্তাহান্তে বীরভূমের একটু অন্যরকম বেড়ানোর একটা জায়গা। অন্যরকম অভিজ্ঞতা সঞ্জয় করা যায় এই গণপুরের জঙ্গলে গেলে।
