www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 30, 2026 10:23 am

মন্দির প্রাঙ্গণে ঘণ্টার ধ্বনি। কণ্ঠে ‘হর হর মহাদেব’। শ্রাবণে জল ঢেলেছেন?

মন্দির প্রাঙ্গণে ঘণ্টার ধ্বনি। কণ্ঠে ‘হর হর মহাদেব’। শ্রাবণে জল ঢেলেছেন? তবে শিবলিঙ্গে শুধু জল ঢাললেই হবে না। জল নিবেদনের সময় যদি দেবাদিদেবের গোপন এই তিন নাম মনে মনে উচ্চারণ করা যায়, তাহলে জীবনের সমস্ত অন্ধকার কেটে যেতে পারে মুহূর্তে। সনাতন শাস্ত্র মতে, মহাদেবের হাজারো নামের মধ্যে তিনটি বিশেষ অবতারের মহিমা অপরিসীম। এই গোপন নামগুলি মন্ত্রের মতো উচ্চারণ করলে দূর হবে জীবনের চিরন্তন তিন শত্রু— রোগ, একাকীত্ব ও দারিদ্র।

  • কুন্দকেশ্বর মহাদেব
    শরীরই ধর্মসাধনার প্রথম মূলধন। কিন্তু ব্যাধি যদি দেহে বাসা বাঁধে, তবে জীবনের সমস্ত আনন্দ মুহূর্তেই ফিকে হয়ে যায়। শাস্ত্র অনুসারে, শিবলিঙ্গে জল দেওয়ার সময় ‘কুন্দকেশ্বর মহাদেব’ নাম জপ করলে শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্তি মেলে। প্রাচীন বিশ্বাস, মহাদেবের এই নাম জপে শরীরের অশুভ শক্তি দূর হয়। দীর্ঘদিনের ব্যাধি কাটিয়ে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবন অর্জনে এই অবতারের মহিমা অনন্য।
  • স্তম্ভেশ্বর মহাদেব
    সংসারে একাকীত্ব আর মনের জটিলতা মানুষকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দেয়। মনের এই অস্থিরতা দূর করার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ‘স্তম্ভেশ্বর মহাদেব’ নামের উচ্চারণে। শিবলিঙ্গে জল নিবেদনের মুহূর্তে এই নাম নিলে মনের সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হয়। সম্পর্কে আসে মধুরতা, আর সংসারে ফেরে স্থায়ী স্থায়িত্ব ও স্থৈর্য। যাঁর মন শান্ত, তাঁর জীবনই যে সুন্দর— এই ধ্রুব সত্যই মনে করিয়ে দেন স্তম্ভেশ্বর।
  • অষ্টবক্রেশ্বর মহাদেব
    অর্থের অভাব জীবনের সুখ কেড়ে নেয়। পুরাণ মতে, শিবলিঙ্গে জল ঢালার সময় ‘অষ্টবক্রেশ্বর মহাদেব’ নাম স্মরণ করলে দারিদ্র্যের অভিশাপ কাটতে শুরু করে। অগণিত বাধা আর আর্থিক সংকট পেরিয়ে জীবন হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ। ভোলেবাবার কৃপায় সংসারে ফেরে সমৃদ্ধি ও লক্ষ্মীর আগমন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *