বাংলাদেশে মাঝে মাঝেই ভারতবিরোধী জেহাদি গোষ্ঠী মাথা চারা দিয়ে উঠছে। সম্প্রতি সেই ঘটনা আবার ঘটেছে। বাংলাদেশে ফের বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের প্রতি বিদ্বেষ। সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির দেওয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়ার চেষ্টা। এই ঘটনায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব এএনএম আয়াস-সহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ের সামনে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাতেও ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, শনিবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি দিয়ে মুছে ফেলার চেষ্টা করেন কয়েকজন। শাহবাগ থানার এসআই আবদুল খালেক জানান, ঘটনাস্থল থেকে এক মহিলা-সহ চারজনকে আটক করা হয়েছে, তারা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম শিল্পকলা একাডেমির সীমানা প্রাচীর উদ্বোধন করেন। সেখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জয়নুল আবেদিন, লালন শাহ, সত্যজিৎ রায়, এস এম সুলতান, বিদ্যাসাগর, জহির রায়হান, শাহ আবদুল করিম, হুমায়ুন ফরীদি ও সঞ্জীব চৌধুরী সহ ১০ গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে। এখানেই রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিকে নিশানা করে দুষ্কৃতীরা। এর পাশাপাশি শুক্রবার রাত ১টা ১৫ নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। দুই দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে ককটেল বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। যার একটিতে বিস্ফোরণ ঘটে, অন্যটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকে। পরে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সেটি নিষ্ক্রিয় করে। তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান জানান, “দুই আরোহী ঘটনাস্থলে ২-৩ মিনিট অবস্থান করে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে ককটেল ছুড়ে আগারগাঁও হয়ে কাফরুলের দিকে পালিয়ে যায়। তারা মূল সড়ক এড়িয়ে লিংক রোড ব্যবহার করেছে।”
