www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 18, 2026 9:10 am

সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, ব্রহ্মাণ্ডের রূপকার দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাই প্রথম রচনা করেছিলেন বাস্তুশাস্ত্র। তিনিই আদি বাস্তুপুরুষ।

সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, ব্রহ্মাণ্ডের রূপকার দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাই প্রথম রচনা করেছিলেন বাস্তুশাস্ত্র। তিনিই আদি বাস্তুপুরুষ। ফলে বিশ্বকর্মা পূজার পুণ্যতিথি কেবল কারখানা বা যন্ত্রপাতির আরাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি গৃহ ও কর্মস্থানের বাস্তুদোষ নিরাময়ের পরম লগ্ন। চলুন জেনে নেওয়া যাক দেবশিল্পীর কৃপায় কীভাবে কাটানো সম্ভব বাস্তুর ক্ষতিকর প্রভাব—

  • বিশ্বকর্মা পূজার দিন প্রাতঃকালে স্নান সেরে গৃহের সমস্ত যানবাহন এবং কর্মক্ষেত্রের যন্ত্রপাতি পুণ্যতোয়ায় ধৌত করুন। যন্ত্রের পরিচ্ছন্নতাই বাস্তুশুদ্ধির প্রথম ধাপ। এর পর দেবশিল্পীর উদ্দেশ্যে বিশেষ উপাচার অর্পণ করুন। একটি হলুদ বস্ত্রে বিশ্বকর্মার প্রতিমা বা চিত্রপট স্থাপন করা আবশ্যক। ঘটের জলে অখণ্ড আতপ চাল, সুপারি, শ্বেত চন্দন, পুষ্প ও শ্বেত সরষে অর্পণ করে আন্তরিক প্রার্থনা জানালে শুভ শক্তি সক্রিয় হয়।
  • বাস্তুদোষ বিনাশে মন্ত্রপূত নৈবেদ্য
    বাস্তুর অমঙ্গল দূর করতে পুজোর পুষ্প ও তণ্ডুল অত্যন্ত কার্যকরী। মন্ত্রোচ্চারণপূর্বক বিশ্বকর্মার পাদপদ্মে অর্পিত চাল ও ফুল গৃহের চারিকোণে এবং প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে দিন। এতে নেতিবাচক শক্তির বিনাশ ঘটে এবং গৃহে পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার হয়। বাস্তুশুদ্ধির নৈবেদ্যে বাতাবি লেবু রাখা শাস্ত্রীয় দিক থেকে অত্যন্ত আবশ্যক।
  • বাণিজ্যে সাফল্যের বিশেষ উপাচার
    ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব কাটাতে এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করতে বিশ্বকর্মার হস্তে একটি ঘুড়ি নিবেদন করুন। পুজো শেষে ওই ঘুড়িটি ব্যবসার স্থানে সযত্নে রেখে দিলে অগ্রগতির পথ সুগম হয়। পাশাপাশি, পুজোর সময় দেবমূর্তির আসনতলে দুটি বৃহৎ লৌহকণ্টক বা পেরেক স্থাপন করুন। পুজো সাঙ্গ হলে সেই পেরেক দুটি রক্তবস্ত্র বা লাল কাপড়ে মুড়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রধান দ্বারে বা ক্যাশ বাক্সের নিকটে ঝুলিয়ে রাখুন। এতে আর্থিক বাধা কেটে দ্বিগুণ উন্নতির পথ প্রশস্ত হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *