www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 17, 2026 1:17 pm

ভারতীয় পুরাণ অজস্র বৈচিত্রে ভরা। ভগবান গনেশের যে মুখশ্রী দেখতে আমরা দেখতে অভ্যস্ত, তা যেমন সত্যি, তেমনই গনেশের মুন্ডছেদের আগে কেমন রুপ ছিল?

ভারতীয় পুরাণ অজস্র বৈচিত্রে ভরা। ভগবান গনেশের যে মুখশ্রী দেখতে আমরা দেখতে অভ্যস্ত, তা যেমন সত্যি, তেমনই গনেশের মুন্ডছেদের আগে কেমন রুপ ছিল? সেই নিয়ে কৌতুল নিতান্ত কম নয়। তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Temple) রয়েছে এমন এক মন্দির, যেখানের বিগ্রহটিকে দেখলে প্রাথমিক দর্শনে তা কোনওভাবেই গণেশের বলে মনে হয় না। কেন? কারণ এই মন্দিরে গজাননের শুঁড় নেই, এমনকি মাথাটিও হাতির নয়! বরং অন্যান্য সিংহভাগ দেবদেবীর মতো মানুষের আদলেই নির্মিত তাঁর মুখাবয়ব। তামিলনাড়ুর থিলাথর্পণপুরী এলাকায় অবস্থিত আদি বিনায়ক মন্দিরের এই আশ্চর্য বিগ্রহই বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। এখানে গণেশকে পূজা করা হয় ‘নর মুখ বিনায়ক’ নামে—অর্থাৎ মানুষের মুখবিশিষ্ট বিনায়ক। দেহের ময়লা থেকে। বালক গণেশকে রেখে স্নানে গিয়েছিলেন তিনি, বলে গিয়েছিলেন, তিনি স্নান করে না ফেরা পর্যন্ত আর কাউকে যেন সে পথা আসতে না দেওয়া হয়। মায়ের আদেশ একাগ্রচিত্তে পালন করেন গণেশ। মহাদেব সে পথে যেতে চাইলে, গণেশ তাঁরও পথ আটকে দাঁড়ান।

গণেশকে যে পার্বতীই সৃষ্টি করেছিলেন, তা জানতেন না মহাদেব। এক পর্যায়ে ক্রুদ্ধ হয়ে তাই আঘাত হানেন গণেশের ওপর। আঘাতে গণেশের মাথাটি বিচ্ছিন্ন হয়। পরে তাঁর দেহে হাতির মস্তক স্থাপন করে তাঁকে পুনর্জীবিত করা হয়। মন্দিরটি মুক্তীশ্বরর মন্দির চত্বরে, কোঠানুরের কাছে থিলাথর্পণপুরীতে অবস্থিত। স্থানীয় ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের হাতির মাথা পাওয়ার আগের রূপই এখানে পূজিত হয়। পৃথিবীর আর কোথাও এই রূপটির পুজো হয় বলে জানা যায় না। মূর্তিটির আর একটি বিশেষত্ব হল, সেটির আকার ও অলংকরণ। বিভিন্ন প্রতিবেদন জানায়, প্রায় ৫ ফুট উচ্চতার এই বিগ্রহের কোমরে রয়েছে নাগাভরণম, অর্থাৎ সাপের অলংকার। অনুমান করা যায়, এই প্রাচীন মন্দিরের স্থাপনা সপ্তম শতকে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *