অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করা সত্ত্বেও ঘরে অর্থ সঞ্চয় হয় না কিংবা মানসিক দুশ্চিন্তা লেগেই থাকে। সব রকম প্রচেষ্টা চালানোর পর যখন আমাদের নজর ঘরের বাস্তুর দিকে যায়, তখন আমরা শোবার ঘর, রান্নাঘর এবং বসার ঘরের বাস্তু ঠিক করি; কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ঘরের বারান্দা বা ব্যালকনি আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। আমরা প্রায়শই ঘরের বাস্তু ঠিক করি, কিন্তু বারান্দার বাস্তুর দিকে আমাদের মনোযোগ যায় না। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, ব্যালকনিতে রাখা কিছু নির্দিষ্ট জিনিস কিংবা ভুল দিকে স্থাপিত বস্তু আপনার উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। আপনিও যদি সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করতে চান, তবে ব্যালকনি সংক্রান্ত এই নিয়মগুলো উপেক্ষা করার ভুলটি কখনও করবেন না।
- তুলসী: আপনার ব্যালকনির উত্তর-পূর্ব কোণে একটি তুলসী গাছ রোপণ করুন। তুলসী গাছকে দেবী লক্ষ্মীরই একটি রূপ বা প্রকাশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- মানি প্ল্যান্ট: আর্থিক সংকট বা সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মানি প্ল্যান্টকে ব্যালকনির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাখা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
- শামী গাছ: শনি দোষ থেকে মুক্তি পেতে এবং কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভের উদ্দেশ্যে বারান্দায় একটি শামী গাছ রোপণ করুন।
- ব্যালকনির দেওয়ালের রঙের ক্ষেত্রে সর্বদা হালকা ও স্নিগ্ধ রং বেছে নিন। সাদা, ক্রিম কিংবা হালকা হলুদ রংকে বারান্দার জন্য সর্বোত্তম বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, প্রতিদিন সন্ধ্যায় ব্যালকনিতে একটি প্রদীপ বা বাতি জ্বালানো উচিত। এটা করলে পূর্বপুরুষদের আত্মা তুষ্ট হন এবং অশুভ শক্তি ঘর থেকে দূরে থাকে।
- ভুল করেও ব্যালকনিতে এই জিনিসগুলো রাখবেন না
- জঞ্জাল ও ভাঙা বাসনপত্র: বারান্দায় পুরনো জিনিসপত্র বা জঞ্জাল জমিয়ে রাখলে ‘রাহু’-র অশুভ প্রভাব বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়।
- শুকিয়ে যাওয়া গাছপালা: আপনার বারান্দার কোনও গাছ যদি শুকিয়ে গিয়ে থাকে, তবে অবিলম্বে তা সরিয়ে ফেলুন। শুকিয়ে যাওয়া গাছপালা দুর্ভাগ্য এবং আর্থিক ক্ষতির ইঙ্গিত বহন করে।
- নোংরা-আবর্জনা: বারান্দা যত বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে, দেবী লক্ষ্মীর আগমনের পথ ততটাই সুগম হবে।
