www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

May 29, 2026 8:11 pm

তিনি দেশের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ক'দিন আগে দেশের প্রথম সংস্থা হয়ে উঠেছে।

তিনি দেশের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ক’দিন আগে দেশের প্রথম সংস্থা হয়ে উঠেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিপুল আয়ের মুখ দেখেছে তাঁর সংস্থা। বহুদিন ধরেই আম্বানি পরিবারের প্রতি আগ্রহ আমজনতার। তাঁদের সাধারণ জীবন, জীবনযাত্রা সবই রয়েছে চর্চায়। স্বাভাবিক ভাবেই বাদ যায় না হেঁশেলও। তাঁরা কী খান, কোন কোন খাবার ভালোবাসেন তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।জানেন কি রোজ ৪ হাজার রুটি তৈরি হয় আম্বানির বাড়িতে! তাঁদের দৈনন্দিন মেনুও খুব আকর্ষণীয়। তবে আমিষ নয়, মুকেশ, নীতা-সহ তাঁদের পরিবারের সকলেই নিরামিষ খাবার খান। সেই মেনুর পাশাপাশি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় তা ওই বিপুল সংখ্যক রুটি! অত রুটি কেন তৈরি হয় আম্বানির হেঁশেলে? তাছাড়া মাসে কত টাকা বেতন পান অ্যান্টিলার প্রধান রাঁধুনি?সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে জেনে নেওয়া যাক আম্বানির দৈনিক মেনু। প্রাতঃরাশে মুকেশ আম্বানি খান পেঁপের সরবত এবং ইডলি-সাম্বার।

অন্যদিকে নীতা আম্বানি খান ফলের রস ও ড্রাই ফ্রুট। দ্বিপ্রাহরিক আহারে থাকে ডাল, ভাত, সবজি, রুটি, স্যুপ, স্যালাড। এর মধ্যে ডালটি বিশেষ। গুজরাটি কায়দায় তৈরি ওই ডাল আম্বানিদের খুবই প্রিয়। দিনের শেষে নৈশভোজের তালিকায় থাকে বাজরার রুটি, গুজরাটি কায়দার সবজি ও স্যালাড। বলে রাখা ভালো, আম্বানিদের খাদ্য তালিকায় আমিষ না থাকলেও পুষ্টিগুণ যাতে সঠিক মাত্রায় থাকে সেদিকে সব সময় নজর রাখা হয়। সেই কারণে বাজরার রুটির মতো খাদ্য তালিকায় রাখা হয়। আর জাঙ্ক ফুড? মাসে বড়জোর একদিন। এছাড়াও সেভপুরী, যা মুম্বই চত্বরের পানীপুরী, তা মুকেশ আম্বানির বড় প্রিয়। এবার আসা যাক অ্যান্টিলার রুটির প্রসঙ্গে। আগেই বলা হয়েছে প্রত্যহ হাজার চারেক রুটি তৈরি হয় সেখানে। আসলে আম্বানির পরিবারে কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৬০০। যার মধ্যে রয়েছেন সাফাই কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী, চালক, রাঁধুনি, ব্যক্তিগত সহকারী। এত মানুষের দৈনিক খাবার প্রস্তুত করতে হয়। আর সেই কারণেই রুটির সংখ্যা এত বেশি!

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *