বাংলায় ধর্মের এক নতুন রুপ পেতে চলেছে। দুর্গাপূজা কমিটিদের অনুদান দিয়ে বহু সমালোচনা শুনতে হয়েছে মমতার সরকার কে। শুভেন্দু সরকার আরো এক পা এগিয়ে চলেছেন। রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার সেই অনুদান তাদের হাতে তুলে দেওয়া হল। সেই সঙ্গে তারকেশ্বর সহ রাজ্যের একাধিক ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের জন্য একের পর এক ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু। ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে এদিন ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হচ্ছে বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এবারের তালিকায় যদি কোনও ত্রুটি থাকে, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। আগামিদিনে জেলাশাসকদের জানালে ত্রুটিমুক্ত তালিকা তৈরি করার চেষ্টা হবে। রথযাত্রার ঐতিহ্যকে উৎসবে পরিণত করার চেষ্টা করব ধীরে ধীরে।” শুভেন্দু উল্লেখ করে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা কমিটিগুলি এই অনুদান পেলে কিছুটা উপকৃত হবে। কমিটিগুলি পুরনো রথগুলি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের কাজে এই টাকা ব্যয় করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু।
তীর্থক্ষেত্রে সার্কিট নামে একটি ব্যবস্থার কথাও এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদের কীরিটেশ্বরী সহ একাধিক প্রাচীন ঐতিহাসিক মন্দির সংস্কার ও হেরিটেজের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামী ২ বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ধর্মীয় স্থানগুলির উন্নয়নে মোট ১০০০ কোটি বরাদ্দ করছে রাজ্য সরকার। শ্রাবন মাসে তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলার আয়োজন করা হয়। এবার সেই মেলা উদ্বোধনে যাবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, মোট ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে তারকেশ্বরের জন্য। ওই তীর্থক্ষেত্রকে সাজানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে অনুদান।শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত রাস্তায় ৫ কিমি অন্তর ‘সেবা কেন্দ্র’ রাখা হবে। জলযাত্রীরা এতে উপকৃত হবেন। এছাড়া, আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রতি সোমবার এই জলযাত্রীদের উপর সরকারি হেলিকপ্টার থেকে গোলাপ বৃষ্টি করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
