www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 6, 2026 11:06 pm

বিশ্বের প্রাণীকুলের বৈচিত্র অনেক। নিজের শরীরের রং বদল করতে পারে বলে অমরা গিরগিটির কথা জানি। কিন্তু আমেরিকায় হামিং বার্ড প্রজাতির এক ধরনের পাখি আছে যারা প্রতি সেকেন্ডে নিজেদের গায়ের রং বদলাতে পারে।

বিশ্বের প্রাণীকুলের বৈচিত্র অনেক। নিজের শরীরের রং বদল করতে পারে বলে অমরা গিরগিটির কথা জানি। কিন্তু আমেরিকায় হামিং বার্ড প্রজাতির এক ধরনের পাখি আছে যারা প্রতি সেকেন্ডে নিজেদের গায়ের রং বদলাতে পারে। তাদের নাম – ‘সুরাকাভ।’ এই ছোট্ট পাহাড়ী এই পাখিটি চোখের নিমেষে বদলে ফেলতে পারে এর গায়ের রং। প্রতিবার মাথা ও দেহ ঝাকানোর সাথে সাথে বদলে যায় এদের গায়ের রং। আবার একই সময় দু তিনজন মিলে পাখিটিকে দেখলে এক একজনের কাছে এক এক রঙে ধরা দেয় সেই পাখি। অবাক করার মত বৈশিষ্ট্য সম্পন্নই পাখিটির নাম সুরাকাভ। সম্প্রতি এই পাখিটিকে নিয়ে আমেরিকায় গবেষণা শুরু হয়েছে। চেষ্টা করা হচ্ছে এটা জানার কেন ও কিভাবে তারা এতো দ্রুত গায়ের রং বদলায়?

এরা প্রতি সেকেন্ডে একবার করে পাখা ঝাপটায় আর সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় তার গায়ের রং। আকারে ছোট্ট হলো ওই পাখিটি দেখতে অদ্ভুত রকমের সুন্দর। সুরাকাভ নামের এই পাখিটি আকার মাত্র কয়েক ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। তুলনামূলকভাবে চঞ্চু হয় অনেক লম্বা ও নরম। আকারে ছোট হওয়া এরা সাধারণত দৃষ্টিগোচর হয় না। পাখির এই দ্রুত রং বদলের বৈশিষ্ট্যটিকে বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। মূলত এর পালকের ওপরের দিকে কেরাটিন নামক ধরনের পাতলা প্রোটিনের পরিষ্কার স্তর রয়েছে। এই স্তরের উপর সূর্যালোক পরার পর কিছু আলো প্রতিফলিত হয়, কিছু আলো পালকের মধ্যে প্রবেশ করে আর কিছু আলো তিনটি স্তরের উপর গিয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় পরে এই আলোর সমষ্টি বিভিন্ন রকম রং তৈরি করে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *