www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 24, 2026 12:10 pm

রথযাত্রা এলেই আগে হত যাত্রাপালার সোনালি স্মৃতি, মুখ ভার শতাধিক রেকর্ড প্লেয়ার সংগ্রাহক অরিন্দম দেবের।

রথযাত্রা এলেই আগে হত যাত্রাপালার সোনালি স্মৃতি, মুখ ভার শতাধিক রেকর্ড প্লেয়ার সংগ্রাহক অরিন্দম দেবের। বাঙালির সংস্কৃতিতে রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, একসময় এই দিনটিই ছিল যাত্রাপালার নতুন মরসুম শুরুর শুভক্ষণ। নতুন পালার মহরত, অগ্রিম বুকিং, বায়না—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠত কলকাতার চিৎপুরের ‘যাত্রাপাড়া’। সময় বদলেছে, বদলেছে বুকিংয়ের ধরনও। তবু সেই সোনালি দিনের স্মৃতি আজও আগলে রেখেছেন নদীয়ার কৃষ্ণনগরের সংগ্রাহক অরিন্দম দেব। অরিন্দম দেবের সংগ্রহে রয়েছে কয়েকশো পুরনো যাত্রাপালার গ্রামোফোন রেকর্ড ও অডিও ক্যাসেট।

শুধু তাই নয়, তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহে রয়েছে প্রায় হাজারখানেক গ্রামোফোন রেকর্ড এবং সেগুলি বাজানোর জন্য ১০টিরও বেশি বিভিন্ন সময়ের রেকর্ড প্লেয়ার। বহু দশক ধরে তিনি যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করে চলেছেন বাংলা যাত্রার এই মূল্যবান ঐতিহ্য। যাত্রাপালার রেকর্ডের প্রসঙ্গ উঠতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অরিন্দম দেব। তিনি জানান, একসময় রথযাত্রার দিনেই চিৎপুরের যাত্রা সংস্থাগুলিতে নতুন পালার নাম ঘোষণা হতো। পুজো-অর্চনার মধ্য দিয়ে মহরত সম্পন্ন করে শুরু হতো নতুন মরসুম। দূর-দূরান্তের ক্লাব, পুজো কমিটি ও উদ্যোক্তারা সেদিন ভিড় জমাতেন জনপ্রিয় যাত্রাদলগুলির অফিসে। কে কোন দলে যোগ দিলেন, কোন নতুন পালা মঞ্চস্থ হবে—এসব জানতে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। মিষ্টিমুখ, নতুন ডায়েরি বা ক্যালেন্ডার উপহার এবং বায়নার খাতায় সই—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহে মেতে উঠত গোটা যাত্রাপাড়া।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *