www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

November 2, 2026 12:44 pm

মন্তেশ্বরে শুরু হয়েছে শতাব্দী প্রাচীন দেবী চামুন্ডার পুজো। চার দিনের এই পুজোয় মা চামুন্ডাকে শস্যসম্পদের দেবী লক্ষ্মীরূপেও আরাধনা করা হয়।

মন্তেশ্বরে শুরু হয়েছে শতাব্দী প্রাচীন দেবী চামুন্ডার পুজো। চার দিনের এই পুজোয় মা চামুন্ডাকে শস্যসম্পদের দেবী লক্ষ্মীরূপেও আরাধনা করা হয়। শস্যগোলা বর্ধমানে যাতে আরও বেশি পরিমাণে শস্য উৎপাদন হয়, সেই মনোস্কামনা পূরণে ‘রায়কা’ অনুষ্ঠানে এই কৃষিযন্ত্রের পুজো করা হয় প্রাচীন কাল থেকেই। জানা যাচ্ছে, দেবীকে সম্মান জানাতে এই মাসে কোনও নবদম্পতি টোপর মাথায় দিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করেন না। শুধু তাই নয়, মন্তেশ্বর এলাকায় কারও বিয়ে হলে হলে বর-বধূরা টোপর পরেন না। বৈশাখ মাস জুড়ে এই রীতি সকলেই মেনে চলেন। কারণ পুজো উপলক্ষ্যে ওই রাতেই হাজরা বাড়িতে ‘দেবীর বিবাহ’ অনুষ্ঠান করা হয়।

সানাই বাদ্যি, বরণডালা, জাঁকজমক আলোকসজ্জা, সুদৃশ্য আলপনা এঁকে বসানো হয় দেবীর বিয়ের আসর। পুরোহিত, নাপিত, হাজার হাজার ভক্তদের সামনেই দুটি ষাঁড়ের মাথায় ‘টোপর’ পরিয়ে দেবীর বিবাহ অনুষ্ঠান’ হয়। ভক্তরা মনে করেন, কৈলাস থেকে স্বয়ং মহাদেব দেবীকে বিয়ে করতে বাহন ষাঁড়ের পিঠে চেপে মর্ত্যধামে আসেন। তাই তাঁদের সম্মান জানাতেই টোপর পরেন না নবদম্পতিরা। পুজো উদ্যোক্তাদের পক্ষে নবগোপাল হাজরা বলেন, “বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজ কীর্তিচাঁদ রায় মন্দির নির্মান, অর্থ বরাদ্দ, জমি-জায়গাও দান করেন। নিয়ম নিষ্ঠা, রীতিনীতি মেনে প্রতিবারের মত এবারেও মন্তেশ্বরের মাইচপাড়ায় বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দেবীর বাৎসরিক পুজো শুরু হয়েছে। বসেছে মেলাও।”

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *