www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 26, 2026 11:18 am

প্রতি বছর ধর্মপ্রাণ লক্ষ লক্ষ মানুষ কেদার দর্শনে যান। এবারও কেদার দর্শন শুরু হয়েছে। হিমালয়ের ১৬ কিমি দীর্ঘ এই দুর্গম পথ কেবল ভক্তি নয়, পরীক্ষাও নেয় ধৈর্য ও শারীরিক সক্ষমতার

প্রতি বছর ধর্মপ্রাণ লক্ষ লক্ষ মানুষ কেদার দর্শনে যান। এবারও কেদার দর্শন শুরু হয়েছে। হিমালয়ের ১৬ কিমি দীর্ঘ এই দুর্গম পথ কেবল ভক্তি নয়, পরীক্ষাও নেয় ধৈর্য ও শারীরিক সক্ষমতার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১,৭৫৫ ফুট উচ্চতায় এই যাত্রা সফল করতে প্রস্তুতির অভাব থাকলে পড়তে পারেন চরম বিপদে। এই বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে –

  • ট্রেক শুরু করার অন্তত এক মাস আগে থেকে নিয়মিত হাঁটা এবং প্রাণায়াম বা ব্রিদিং এক্সারসাইজ শুরু করুন। কেদারনাথের উচ্চতায় অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে, তাই ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
  • যাত্রা শুরুর আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে যাদের হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই উচ্চতায় যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। প্রয়োজনে ফিটনেস সার্টিফিকেট সঙ্গে রাখুন।
  • কেদারনাথের আবহাওয়া অনিশ্চিত। তাই সাথে অবশ্যই থার্মাল ইনার, ওয়াটারপ্রুফ জ্যাকেট এবং রেইনকোট রাখুন। ভারী জিন্সের বদলে হালকা ও আরামদায়ক ট্র্যাকিং প্যান্ট পরা ভালো।
  • সাধারণ চটি বা স্নিকার্স পরে ১৬-১৮ কিমি ট্রেক করা কঠিন। ভালো গ্রিপ যুক্ত এবং ওয়াটারপ্রুফ ট্র্যাকিং জুতো ব্যবহার করুন, যা পাহাড়ি পিচ্ছিল পথে আপনাকে ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করবে।
  • ব্যাগে অতিরিক্ত বোঝা না বাড়িয়ে কেবল প্রয়োজনীয় জিনিস রাখুন। সাথে ব্যক্তিগত ফার্স্ট এইড বক্স, পেনকিলার, ব্যান্ডেজ এবং উচ্চতাজনিত অসুস্থতা (Altitude Sickness) মোকাবিলার ওষুধ অবশ্যই রাখুন।
  • ট্রেকিংয়ের সময় প্রচুর জল পান করুন। সাথে গ্লুকোজ, এনার্জি বার, চকোলেট বা শুকনো ফল রাখতে পারেন, যা তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাবে। তবে পাহাড়ে ওঠার সময় ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
  • পাহাড়ে দুপুর ২টোর পর আবহাওয়া দ্রুত খারাপ হতে থাকে। তাই চেষ্টা করুন ভোরবেলা (রাত ৩টে বা ৪টে) গৌরিকুণ্ড থেকে ট্রেক শুরু করতে, যাতে সন্ধ্যার আগে কেদারনাথে পৌঁছানো যায়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *