www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 25, 2026 11:23 am

ভারতীয় পুরাণ বলছে একই ফুল যেমন সমস্ত দেবতাকে অর্পণ করা যায় না তেমনই ফুল অর্পণ করার বিধিও আলাদা আলাদা।

ভারতীয় পুরাণ বলছে একই ফুল যেমন সমস্ত দেবতাকে অর্পণ করা যায় না তেমনই ফুল অর্পণ করার বিধিও আলাদা আলাদা। ভক্তিভরে আরাধ্য দেবতার চরণে ফুল অর্পণ করাই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, না জেনে ভুল ফুল দেবতার পায়ে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে? শাস্ত্র মতে, সব ফুল সব দেবতার জন্য নয়। ভুল নির্বাচনে হিত তো হয়ই না, উল্টে পুজোর ফল পণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ষোলো আনা। কাল থেকে পুজোয় বসার আগে তাই জেনে নিন পুষ্প-মাহাত্ম্যের কিছু জরুরি নিয়ম।

  • পুষ্প নিবেদনে সাবধান:
    ১. অনেকেই একটি পাত্রে ফুল রেখে তা জলে ধুয়ে নেন, তারপর পাপড়ি ছিঁড়ে ছিঁড়ে দেবতাকে দেন। সাবধান! এটা ঘোরতর অন্যায়। স্বয়ং শ্রীবিষ্ণু জলে বাস করেন বলে জল দিয়ে ফুল ধোওয়া বারণ। আর ফুল সর্বদা গোটা অবস্থায় নিবেদন করার চেষ্টা করুন, ছেঁড়া ফুল নয়।
    ২. শিবপুরাণ বলছে, শিবলিঙ্গে জল ঢালার সময় পাত্রের ভেতরে ফুল রাখবেন না। এছাড়া ভগবান বিষ্ণুকে দেওয়া ফুল অন্য দেবতাকে অর্পণ করবেন না, এতে পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
    ৩. বেলপাতা, আকন্দ বা অন্যান্য পাতা ধুয়ে কখনও পুজোর স্থানে স্তূপ করে রাখবেন না, এটি অশুভ বলে গণ্য করা হয়।
    ৪. বাসি ফুল বা আগের দিন কিনে আনা ফুল নৈব নৈব চ! বাসি ফুলে দেবতারা রুষ্ট হন, যা পরিবারের অমঙ্গল ডেকে আনতে পারে।
  • কোন দেবতার কী পছন্দ?
    সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনায় তুলসী কিন্তু অপরিহার্য। সেই সঙ্গে শমী পাতা ও দূর্বা ছাড়া গণেশ পুজো পূর্ণতা পায় না। বিশেষ করে তিনটি বা পাঁচটি দূর্বা দেওয়া অত্যন্ত শুভ। দেবাদিদেব মহাদেবের প্রিয় হলো নীল অপরাজিতা ও ধুতুরা। ধুতুরা ফুল আর বেলপাতা যদি একসঙ্গে ভোলেনাথকে অর্পণ করা যায়, তবে পুত্রসন্তান লাভের পথ প্রশস্ত হয় বলে বিশ্বাস। অন্যদিকে, আদ্যাশক্তি মা কালীর পরম প্রিয় হলো রক্তজবা। জবা ফুলে ভক্তি দিলেই মা বিশেষ রূপে সন্তুষ্ট হন। মনে রাখবেন, সঠিক ফুল আর শুদ্ধাচারই হলো ঈশ্বরের কৃপা পাওয়ার শ্রেষ্ঠ পথ।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *