www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 25, 2026 4:06 pm

মহাভারতের যুদ্ধ চলেছিল আঠারো দিন। গীতার অধ্যায় সংখ্যাও আঠারো।

মহাভারতের যুদ্ধ চলেছিল আঠারো দিন। গীতার অধ্যায় সংখ্যাও আঠারো। হিন্দু ধর্মে আঠারোটি মহাপুরাণের উল্লেখ রয়েছে। এই আঠারো সংখ্যার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে হিন্দুধর্মে। একে জ্ঞান, ধর্ম এবং সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীক মানা হয়। সেই প্রতীকী ভাবনা থেকেই এবার অভিনব এক যজ্ঞের আসর বসল উত্তর চব্বিশ পরগনার সন্দেশখালিতে। সন্দেশখালি ব্লকের কানমারী বাজারে আয়োজিত হল এই বিশ্বশান্তি যজ্ঞ। শ্রী শ্রী মনসা পুজো মেলা উপলক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মন্মথপুর প্রণব মন্দিরের পরিকল্পনায় এই যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনায় ছিল কানমারী ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। এই যজ্ঞের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ‘আঠারো’ সংখ্যাটি।

একসঙ্গে আঠারোটি যজ্ঞকুণ্ডে এই হোমযজ্ঞ সম্পন্ন হয়। আঠারো জন সন্ন্যাসী এই মহাযজ্ঞ পরিচালনা করেন। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ কামনায় এই যজ্ঞ করা হয়। মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের আদর্শ মেনেই এই আধ্যাত্মিক মহাজাগরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। উদ্যোক্তাদের মতে, এই আঠারোটি কুণ্ড নিছকই যজ্ঞের আয়োজন নয়। এটি বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার এক মহাসমন্বয়ের প্রতীক। সমাজে ঐক্য এবং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এমন পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক চেতনা জাগানোও এই যজ্ঞের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *