গত শনিবার রাত থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইজান’কে দেখে কার্যত চোখ চড়কগাছ নেটিজেনদের। আপাদমস্তক কালো পোশাক, পেটানো চেহারা, গালে হালকা দাড়ি আর মাথা একেবারে কামানো! হ্যাঁ, চুল কেটে সাফ করে সম্পূর্ণ ন্যাড়া মাথায় জনসমক্ষে এলেন সলমন। আর তাঁর এই নতুন অবতার ঘিরেই এখন বলিপাড়ায় জল্পনা তুঙ্গে। সলমন খানকে এই লুকে দেখা মাত্রই সিনেমা প্রেমীদের মনে উঁকি দিয়েছে ২০০৩ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘তেরে নাম’-এর সেই আইকনিক চরিত্র ‘রাধে মোহন’-এর কথা। ছবির শেষাংশে ঠিক এই লুকেই পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন অভিনেতা। স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন অনুরাগীরা।
সমাজমাধ্যমের কমেন্ট বক্সজুড়ে এখন একটাই দাবি— তবে কি আসতে চলেছে ‘তেরে নাম ২’? অনেকে তো লিখেই দিয়েছেন, “তাহলে কি সিক্যুয়েলের স্ক্রিপ্ট তৈরি?” যদিও নিজের এই রূপবদল নিয়ে সলমন নিজে এখনও মুখ খোলেননি। চরিত্রের প্রয়োজনে এর আগেও তিনি চুল ছোট করেছেন, কিন্তু এই সম্পূর্ণ ন্যাড়া মাথার লুক সত্যিই নজিরবিহীন। সলমনের এই আচমকা ভোলবদল এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তিনি নিজের জীবনের এক ‘কলঙ্কিত অধ্যায়’ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত। অতীতে রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁর বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ উঠেছিল। সেই বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এবার সিনেমা বানিয়েছেন পরিচালক ভরত শ্রীনাথ। আর এই ছবির চিত্রনাট্য নিয়েই চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন প্রবীণ তারকা। সিনেমাটির প্রচার ও মুক্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে ইতিমধেই দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সলমন খান। এই আইনি টানাপোড়েনের মাঝেই অভিনেতার এই নতুন লুকের পেছনে কোনো মানসিক কারণ নাকি নতুন কোনও ছবির প্রস্তুতি— তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
