www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 12, 2026 10:54 am

প্রতি বছর এই সময়ে চারদিকের পরিবেশ ভক্তি আর আধ্যাত্মিকতায় ভরে ওঠে

প্রতি বছর এই সময়ে চারদিকের পরিবেশ ভক্তি আর আধ্যাত্মিকতায় ভরে ওঠে। মহাদেব ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন এই বিশেষ দিনগুলির জন্য। তবে ২০২৬ সালের এই পবিত্র মাসের আবহের সঙ্গে এবার মিশে গিয়েছে এক অদ্ভুত জ্যোতিষীয় আশঙ্কা। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এই বছর শ্রাবণ মাস শুরু হচ্ছে ৩০ জুলাই এবং শেষ হবে ২৮ আগস্ট। এই ৩০ দিনের মধ্যেই আকাশের বুকে ঘটতে চলেছে এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে পরপর দুটি গ্রহণ লাগতে চলেছে এবার, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হয়েছে নানান প্রশ্ন। জ্যোতিষ শাস্ত্রের গণনা অনুযায়ী, বছরের দ্বিতীয় তথা শেষ সূর্য গ্রহণটি লাগবে আগামী ১২ আগস্ট, অমাবস্যা তিথিতে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, এই গ্রহণ শুরু হবে রাত ৮টা বেজে ৪ মিনিটে এবং শেষ হবে মধ্যরাত ১টা বেজে ৭ মিনিটে। এর ঠিক ১৫ দিন পর, অর্থাৎ ২৮ আগস্ট শ্রাবণী পূর্ণিমার দিন সকালের আকাশে লাগবে চন্দ্র গ্রহণ। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, এই গ্রহণ সকাল ৮টা বেজে ৪ মিনিটে শুরু হয়ে শেষ হবে বেলা ১১টা বেজে ২২ মিনিটে।

মাত্র ১৫ দিনের এই সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে সূর্য ও চন্দ্রের ওপর রাহু – কেতুর এই প্রভাবকে সনাতন ধর্মে অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে মনে করা হয়। সনাতন ধর্মে এবং জ্যোতিষ শাস্ত্রে এত কম সময়ের মধ্যে দুটি গ্রহণ লাগাকে কখনও শুভ চোখে দেখা হয় না। মনে করা হয়, এর ফলে প্রকৃতি এবং মানব সমাজে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব অনেকটাই বেড়ে যায়। প্রাচীন ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, মহাভারতের মহাযুদ্ধের আগেও ঠিক এইরকমই ১৫ দিনের ব্যবধানে দুটি গ্রহণ লেগেছিল। এই ধরনের বিরল যোগকে সাধারণত প্রাকৃতিক বিপর্যয়, তীব্র মূল্যবৃদ্ধি, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা বড় কোনও সংকটের সূচক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে এই মহাজাগতিক পরিস্থিতি মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ভয়ের জন্ম দিয়েছে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *