www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

May 29, 2026 8:16 pm

হিন্দু ধর্মে তুলসী গাছকে অত্যন্ত পবিত্র এবং দেবী লক্ষ্মীর রূপ বলে মনে করা হয়।

হিন্দু ধর্মে তুলসী গাছকে অত্যন্ত পবিত্র এবং দেবী লক্ষ্মীর রূপ বলে মনে করা হয়। বাড়িতে তুলসী গাছের নিয়মিত পূজা করলে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে, অশুভ শক্তি দূর হয় এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

পূজার নিয়ম:জল ও প্রদীপ: প্রতিদিন সকালে স্নান করে তুলসী গাছে জল নিবেদন করতে হবে এবং সন্ধ্যায় তুলসী তলায় প্রদীপ জ্বালাতে হবে।প্রদক্ষিণ: পূজার পর তুলসী গাছকে অন্তত তিনবার প্রদক্ষিণ বা পরিক্রমা করতে হয়।প্রার্থনা মন্ত্র: “বৃন্দায়ৈ তুলসীদেব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ। বিষ্ণুভক্তি-প্রদায়িন্যৈ সত্যবত্যৈ নমো নমঃ।।” এই মন্ত্রটি জপ করা অত্যন্ত শুভ।বারণ: রবিবার ও একাদশী তিথিতে তুলসী গাছে জল দেওয়া এবং তুলসী পাতা ছেঁড়া সম্পূর্ণ নিষেধ।

তুলসী গাছের মাহাত্ম্য:পৌরাণিক বিশ্বাস: পুরাণে বর্ণিত আছে, সমুদ্র মন্থনের সময় অমৃতের ফোঁটা যেখানে পড়েছিল, সেখান থেকেই তুলসী গাছের উৎপত্তি। তাই এটিকে অত্যন্ত পবিত্র ও বিষ্ণুপ্রিয়া বলা হয়। ভগবান বিষ্ণুর যে কোনো পূজায় বা নৈবেদ্যে তুলসী পাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক।বাস্তুশাস্ত্র: বাড়ির উত্তর, উত্তর-পূর্ব বা পূর্ব দিকে তুলসী মঞ্চ রাখলে বাস্তুদোষ কেটে যায় এবং ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।ঔষধি গুণ: তুলসী পাতা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল গুণের ভাণ্ডার। সর্দি-কাশি, জ্বর ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে তুলসী পাতার জুড়ি নেই। এর উপস্থিতিতে বাড়ির চারপাশের বাতাসও বিশুদ্ধ থাকে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *