www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 25, 2026 12:37 am

গান' মানুষের মনে এমন আবেগ এনে দেয়, যা শুনে মানুষ মোহিত হয়ে পড়ে।

‘গান’ মানুষের মনে এমন আবেগ এনে দেয়, যা শুনে মানুষ মোহিত হয়ে পড়ে। নানা রকম আচরণ করে – তা আমরা শুনেছি। কিন্তু গান শুনে মানুষের আত্মাহত্যা!! কিন্তু এমনই এক অবপাদ রয়েছে হাঙ্গেরির এই বিশেষ গানটি ঘিরে। এমনকী এ গানের স্রষ্টার নিজের জীবনেও জুটেছিল করুণ পরিণতি। ১৯৩৩। প্রকাশ পায় ‘গ্লুমি সানডে’ নামের এক বিষাদময় গান। গানটি অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেল। বুদাপেস্টের বেশিরভাগ ক্যাবারেতেই নিয়মিত বাজতে লাগল সেই হতাশাভরা গানের সুর। আর তারপরেই ঘটতে লাগল ভয়াবহ এক ঘটনা। এই গান যারা প্রায়শই শুনছিলেন, তাঁদের অনেকেই আত্মহত্যা করেন! আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। নিষিদ্ধ হয়ে যায় এই ‘সুইসাইড সং’! কোন কাহিনী রয়েছে নেপথ্যে?

এ গানের সুর বেঁধেছিলেন রেজসো সেরেস। প্রেমজীবনে চূড়ান্ত হতাশ হয়েছিলেন। পেট চালানোর মতো কোনও কাজও জুটছিল না বহুদিন। বরং কঠোর বাস্তব থেকে বাঁচতে শান্তি খুঁজে নিয়েছিলেন পিয়ানোয়। এমন হৃদয়বিদারী গানের সুর যে তাঁর হাতেই সৃষ্টি হবে, এতে আর আশ্চর্য কী! গানের বক্তব্য সাধারণ। প্রেমিকাকে হারিয়েছেন গায়ক। হয় সে মেয়ে ছেড়ে গিয়েছে, নয়তোবা মারাই গিয়েছে! এক বিষণ্ণ স্যাঁতস্যাঁতে রবিবার একা ঘরে বসে প্রেয়সীর কথা মনে করছেন গায়ক। চারপাশের সমস্তই শূন্য মনে হচ্ছে তাঁর। এমন অবস্থায় মৃত্যুই একমাত্র পথ! গায়কের বিশ্বাস, মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে নতুন করে প্রেয়সীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এই বেদনা সত্যি, নাকি সবটাই কাতর হৃদয়ের কল্পনা— গানটির অংশবিশেষে ধন্দ জাগে শ্রোতার মনে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *