www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 6, 2026 10:57 am

তিনি এখনও অভিষেকর উপর আস্থাশীল।

তিনি এখনও অভিষেকর উপর আস্থাশীল। ভেঙে খাওয়া বিশাল সম্রাজ্যর মধ্যে বিভ্রান্ত নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুয়েকজকে নিয়ে নেমে পড়লেন যুদ্ধক্ষেত্রে। তিনি তার দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সাহায্য করবেন দোলা সেন, ডেরেক ও ব্রায়েন। সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তাঁদের। তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি মনোনীত হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অন্যদিকে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী হলেন মালা রায়। যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। অন্যদিকে ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা অধিকারী। অন্যদিকে আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি হচ্ছেন মলয় ঘটক। আগে এই পদে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তৃণমূল বহিস্কারের পরেও তাঁর পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দলেরই উল্টো শিবিরের নেতারা।

ডুবেছে দল। ভেঙে একেবারে ছত্রখান হয়ে গিয়েছে সুপ্রিমোর সাজানো বাগান। বেসুরো ৫৮ বিধায়ক বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিয়েছেন বিদ্রোহী ঋতব্রতকে। আবার সংসদেও শুরু টানাপোড়েন। অন্যদিকে কয়েকদিন আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের সমস্ত ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন। ছাত্র সংগঠন থেকে মহিলা সংগঠন, সব ক্ষেত্রেই সব পদের অবলুপ্তি! কিন্তু দলের ভরাডুবির পরও অভিষেকেই আস্থা মমতার, ফের নিজের হাতে সাজালেন দল। প্রসঙ্গত, দলের ভাঙনের নেপথ্যে বারবার উঠেছে অভিষেকের নাম। তাঁর উপরেই একেবারে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে দলের অন্দরেই। অভিষেকের জন্য়ই দলের আজ এই হাল, ভোটে ভরাডুবি, বলছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। সোজা কথায়, অভিষেকের থেকে দূরেই থাকতে চাইছেন তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক। না পাসন্দ তাঁর কর্পোর্ট রাজনীতি। এই আবহে ঋতব্রতরা মমতাকে যখন তাঁদের পরামর্শদাতা হিসাবে চাইছেন তখন কিন্তু মমতার অভিষেকেের উপর ফের আস্থা যে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোটে হারের পরেও মমতা বারবার বলেছেন তাঁরা হারেননি, হারানো হয়েছে। কিন্তু দলের অভ্যন্তরণে রোষ অভিষেককে ঘিরে। তারপরেও অভিষেককেই দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেন মমতা।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *