www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 29, 2026 4:49 pm

পবনপুত্র হনুমান বা বজরংবলীর রুদ্রমূর্তি দেখে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন— ঘরে এই মূর্তি রাখা কি আদৌ শুভ?

পবনপুত্র হনুমান বা বজরংবলীর রুদ্রমূর্তি দেখে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন— ঘরে এই মূর্তি রাখা কি আদৌ শুভ? নাকি এতে সংসারে অশান্তি বাড়ে? বর্তমানের ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়েও এই প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘোরে। আসলে শাস্ত্র বলছে, নিয়ম না মেনে ভুল জায়গায় মূর্তি রাখলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তবে সঠিক বিধি মেনে চললে এই সংকটমোচনই আপনার জীবনের সব বাধা দূর করে দিতে পারেন। বিশেষ করে যাঁদের কোষ্ঠীতে মঙ্গল বা শনির দোষ রয়েছে, তাঁরা জন্য পবনপুত্রের শরণাপন্ন হলে মেলে বিশেষ ফল। বাস্তুশাস্ত্র ও বিভিন্ন পৌরাণিক গবেষণা অনুযায়ী, হনুমানজির মূর্তি বসানোর আদর্শ স্থান হল বাড়ির দক্ষিণ দিক। এর পেছনে রয়েছে শাস্ত্রীয় যুক্তি। লঙ্কাকাণ্ডের সময় হনুমানজি দক্ষিণ দিকেই নিজের পরাক্রম দেখিয়েছিলেন। তাই দক্ষিণমুখী হনুমান মূর্তি বাড়িতে থাকলে তা অশুভ শক্তিকে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তবে খেয়াল রাখবেন, হনুমানজি যেহেতু ব্রহ্মচারী, তাই তাঁর মূর্তি বা ছবি শোওয়ার ঘরে রাখা একদমই উচিত নয়। এতে দাম্পত্য কলহ বাড়তে পারে।

মহিলাদের হনুমানজি পুজো নিয়ে সমাজে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। পরিষ্কার করে জেনে নেওয়া দরকার যে, মহিলারা অবশ্যই বজরংবলীর আরাধনা করতে পারেন, তবে কিছু বিধিনিষেধ মেনে। বজরংবলী যেহেতু আজীবন ব্রহ্মচারী ছিলেন, তাই মহিলারা তাঁকে ভক্তিভরে প্রণাম বা পুজো করতে পারলেও, সরাসরি মূর্তি স্পর্শ করা শাস্ত্রসম্মত নয়। বিশেষ করে ঋতুচক্র চলাকালীন মহিলাদের হনুমানজির মন্দিরে প্রবেশ বা পুজোপাঠ থেকে বিরত থাকার নিদান দেয় শাস্ত্র। তবে ভক্তিতে কোনও বাধা নেই; মনে মনে মন্ত্র জপ বা দূর থেকে আরতি দেখায় কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
হনুমানজির মূর্তি যেন কখনওই ধুলোবালি মাখা না থাকে। যেখানে তাঁকে অধিষ্ঠিত করেছেন সেই স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করুন। মূর্তির সামনে সুগন্ধি ধূপ বা প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ঠাকুরঘরের পবিত্রতা বজায় রাখুন, কারণ পবনপুত্র শৃংখলা ও পবিত্রতা খুব পছন্দ করেন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *