www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

April 14, 2024 4:46 pm
মমি (Pyramid)

১৯৭৫ সালে একটি ভূমিকম্প হওয়ার পরে এই সমাধিটি প্রকাশ্যে আসে। সমাধি খুলে দেখা যায় যে সন্ন্যাসীর এই মমি সেখানে রাখা রয়েছে। মমিটি এখন একটি মন্দিরে রয়েছে, যেখানে দাঁত অক্ষত এবং চোখের অংশও ফাঁকা। জীবিত বুদ্ধের প্রতীক বলে মনে করা হয়ে এই মমিকে।

মমি দেখতে মিশরে কেন যাবেন। এমন মমি রয়েছে এই ভারতে। আর আজব কথা কী জানেন, এই মমির নখ, চলু আজএও বেড়ে চলেছে আর পাঁচটা মানুষের মত। কথায় বলে না, বিশ্বে কেন এই ভূ ভারতে যা রয়েছে তা সকলেরই ঘুম ছুটিয়ে দেবে।

আমরা সবাই কি মিশরের ‘মমি’ (Ancient Egpt) সম্পর্কে কোনও গল্প শুনিনি বা পড়িনি অথবা মমি নিয়ে তৈরি হওয়া কোনও সিনেমা দেখতে বসে আমরা কি এক বারও চমকে উঠিনি? এমনকি শিশু কালে মমি পড়তে পড়তে বুঁদ হয়ে কি এক বারও ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি যে, কোনও না কোনও দিন আমরা এক বার হলেও মিশর ঘুরে আসব? আর এই মিশর ভ্রমণের টানের নেপথ্যে আছে একটাই কারণ। মমি। (Pyramids) (Momy)

তবে মমি দেখার জন্য কিন্তু মোটেও যেতে হবে না মিশর (Misar)। কারণ চাইলে ভারতের এক প্রান্তে গিয়েও দেখে আসতে পারেন মমি। না, আমরা কোনও রসিকতা করছি না। গুই হল হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) স্পিতি অঞ্চলের একটি ছোট্ট রহস্যময়ী গ্রাম। সেখানেই রয়েছে একটি প্রায় ৫০০ বছরের পুরানো মমি। সেই মমির দাঁত রয়েছে অক্ষত। শোনা যায়, সেই মমির না কি চুল বাড়ে, বাড়তে থাকে নখও। জানবেন না কি সেই মমির সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে?

হিমাচল প্রদেশের গুই গ্রামটি একটি সুন্দর ছোট গ্রাম, যার মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে আপনা আপনিই মন ভাল হয়ে যায়। জায়গাটি এলওসি অর্থাৎ ভারত চিন সীমান্তের লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আজকাল গ্রামটি নানা আলোচনায় উঠে আসছে একটি বিশেষ কারণে।

আসলে এই গ্রামে একটি ৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো মমি রয়েছে এবং এটি দেশের এক মাত্র পরিচিত প্রাকৃতিক ভাবে সংরক্ষিত মমি। মমিটি একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী (Buddist priest) সংঘ তেনজিনের বলে মনে করা হয়। এমনকি নানা তথ্যে উঠে এসেছে যে, তিনি ১৫০০ সালে মারা গিয়েছিলেন।

১৯৭৫ সালে একটি ভূমিকম্প হওয়ার পরে এই সমাধিটি প্রকাশ্যে আসে। সমাধি খুলে দেখা যায় যে সন্ন্যাসীর এই মমি সেখানে রাখা রয়েছে। মমিটি এখন একটি মন্দিরে রয়েছে, যেখানে দাঁত অক্ষত এবং চোখের অংশও ফাঁকা। জীবিত বুদ্ধের প্রতীক বলে মনে করা হয়ে এই মমিকে।

এই মমিটির স্বমমিকরণ প্রক্রিয়া মিশরের সাধারণ মমিকরণের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। এই সন্ন্যাসীর মমিকরণ একটি প্রাকৃতিক স্বমমিকরণ প্রক্রিয়ার ফলাফল ছিল যা ‘সোকুশিনবুতসু’ নামে পরিচিত। সেই প্রক্রিয়ায় ভিক্ষুরা জীবিত অবস্থায় মমিকরণের মধ্যে প্রবেশ করেন।

এই প্রক্রিয়াটি এক জন সন্ন্যাসীর শরীর থেকে সমস্ত চর্বি এবং তরল আলাদা করতে সক্ষম। এই প্রক্রিয়াটি জাপানের ইয়ামাগাতার বৌদ্ধ ভিক্ষুরা শুরু করেছিলেন বলে মনে করা হয়। সন্ন্যাসীরা বিষাক্ত বাদাম, ভেষজ এবং গাছের রসের খাদ্য গ্রহণ করতে করতে ধীরে ধীরে অনাহারের দিকে যান। সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি সংরক্ষিত থাকার পরে সন্ন্যাসীরা ধ্যানের ভঙ্গিতে বসেন এবং দেহে কোনও আর্দ্রতা না থাকার কারণে মৃত্যু হয়। (ছবি সংগৃহীত)

 

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *