www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 26, 2026 10:25 am

বরফের চাদরে ঢাকা হিমালয়ের বুক

বরফের চাদরে ঢাকা হিমালয়ের বুক। সেখানে এক অলৌকিক গুহা। প্রতি বছর আষাঢ়ের শেষে ভক্তের দল এখানে ঢল নামান। এবারও যথারীতি শুরু হতে চলেছে ২০২৬ সালের অমরনাথ যাত্রা। আগামী ৩ জুলাই থেকে শুরু হয়ে এই যাত্রা চলবে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। মোট ৫৭ দিনের এই পুণ্যযাত্রায় এবারও শামিল হবেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। কেন এই কঠিন পথ পেরিয়ে মানুষ ছুটে যান অমরনাথের গুহায়? কী তার মাহাত্ম্য? হিমালয়ের অনন্ত নিস্তব্ধতার গভীরে লুকিয়ে রয়েছে এক পৌরাণিক আখ্যান। হিন্দু বিশ্বাস মতে, এই অমরনাথ গুহাতেই লুকিয়ে রয়েছে সৃষ্টি ও অমরত্বের পরম রহস্য। দেবাদিদেব এখানেই মাতা পার্বতীকে শুনিয়েছিলেন অমরত্বের গূঢ় কথা, যা ‘অমরকথা’ নামে পরিচিত।

কেন এই নির্জন গুহাকে বেছে নিলেন শিব?
কথিত আছে, দেবী পার্বতী একবার মহাদেবকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন তিনি অমর? অথচ দেবীকে বারবার মৃত্যুবরণ করতে হয়? পার্বতীর বারংবার অনুরোধে শিব তাঁকে অমরত্বের রহস্য বা ‘অমরকথা’ শোনাতে রাজি হন। কিন্তু এই পরম গোপন জ্ঞান মহাবিশ্বের অন্য কেউ শুনুক, তা চাননি মহাদেব। তাই তিনি এক নির্জন স্থানের খোঁজে রওনা হন। গোপনীয়তা বজায় রাখতে শিব তাঁর সমস্ত অলঙ্কার ও সঙ্গীদের একে একে ত্যাগ করেন। পহলগামে তিনি ছাড়েন তাঁর বাহন নন্দীকে। চন্দনবাড়িতে মাথা থেকে নামিয়ে রাখেন চন্দ্রকে। শেষনাগে মুক্ত করেন তাঁর গলার সর্পকুলকে। পঞ্চতরণীতে ত্যাগ করেন পঞ্চভূতকে। এমনকী পুত্র গণেশকেও তিনি রেখে যান মহাগণেশ পাহাড়ে। সবশেষে পার্বতীকে নিয়ে তিনি প্রবেশ করেন এই নির্জন গুহায়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *