www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

October 15, 2026 6:22 pm

ভগবান বিষ্ণুকে এখানে দেখা যায় শায়িত রূপে। মূর্তির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯ ফুট। মূর্তিটি ভেষজ উপাদানে নির্মিত বলে স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘মূলিগাই শিলাই’, অর্থাৎ ‘ভেষজ মূর্তি’

ভগবান বিষ্ণুকে এখানে দেখা যায় শায়িত রূপে। মূর্তির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯ ফুট। মূর্তিটি ভেষজ উপাদানে নির্মিত বলে স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘মূলিগাই শিলাই’, অর্থাৎ ‘ভেষজ মূর্তি’। রঙ্গনাথ পেরুমালকেও তাই অনেক সময় ‘ভেষজ পেরুমাল’ বলে উল্লেখ করা হয়। মন্দিরের গর্ভগৃহে রঙ্গনাথ পেরুমালকে দেখা যায় অনন্তনাগের উপর বিশ্রামরত অবস্থায়। পাঁচফণা অনন্তনাগ তাঁর মাথার উপর ছত্রের মতো বিস্তৃত। বিষ্ণুর নাভি থেকে উদ্ভূত পদ্মের উপর রয়েছেন ব্রহ্মা। মূর্তির মাথার দিকে শ্রীদেবী এবং পায়ের দিকে ভূদেবীর অবস্থান— শায়িত রঙ্গনাথের এই রূপটিই মন্দিরটির প্রধান আকর্ষণ। মূর্তিটি ভেষজ উপাদানে তৈরি বলে এর বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, মূর্তিতে সাধারণ পাথরের মূর্তির মতো নিয়মিত জল দিয়ে অভিষেক করা হয় না।

পরিবর্তে বিশেষ ভেষজ তেলের প্রলেপ লাগান হয়। এই তেলকাপ্পু বা তেলের প্রলেপ ধর্মীয় আচার হওয়ার পাশাপাশি, ভেষজ উপাদানে তৈরি মূর্তিটির সংরক্ষণের পদ্ধতিও বটে। এই মন্দিরের সঙ্গে একটি প্রাচীন বৈষ্ণব পুরাণকথা জড়িয়ে রয়েছে। কথিত আছে, সোমুকন নামে এক অসুর ব্রহ্মার কাছ থেকে বেদ চুরি করে নিয়ে যায়। বেদ হারিয়ে যাওয়ায় সৃষ্টির জ্ঞান ও ধর্মীয় শৃঙ্খলা বিপন্ন হয়ে পড়ে। বিষ্ণু বেদ উদ্ধার করেন এবং ব্রহ্মাকে ফিরিয়ে দেন। তাই আধিরঙ্গনাথস্বামীকে বেদ ও জ্ঞানের রক্ষক হিসেবে ভক্তরা স্মরণ করেন।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *