www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

May 12, 2026 10:29 am

১০ মে, ২০২৬ দিনটি দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হল। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয়।

১০ মে, ২০২৬ দিনটি দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হল। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। কিন্তু এই রাজকীয় মুহূর্তের আড়ালে মিশে যন্ত্রণাদায়ক গল্প। যখন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয় শপথ নিচ্ছিলেন, গ্যালারিতে বসে থাকা তাঁর বাবা, প্রখ্যাত পরিচালক এস এ চন্দ্রশেখর তখন অঝোরে কাঁদছেন। সাফল্যের চরম শিখরে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেকে দেখে তাঁর মনে ভিড় করে আসছিল ৫২ বছর আগের সেই দিনগুলো, যখন পরিবারের মুখে দু’বেলা খাবার তুলে দেওয়ার মতো সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। চেন্নাইয়ের রাজভবনে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মা শোভা এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা। তবে সবার নজর কেড়েছেন চন্দ্রশেখর। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ১৯৭৪ সালে বিজয়ের জন্মের সময় তিনি ছিলেন একজন সাধারণ সহকারী পরিচালক। সংসারের জোয়াল টানতে হিমশিম খেতে হত তাঁকে। এমন দিনও গিয়েছে যখন ডাল-ভাতের সংস্থানটুকু করতে পারেননি।

বিজয়ের রাজনীতির আসার সিদ্ধান্তে প্রথম থেকেই পাশে ছিলেন বাবা। আজ তাঁর সেই অপূর্ণ স্বপ্ন ছেলে পূরণ করেছেন এই আনন্দই বাঁধ মানেনি বৃদ্ধ পিতার চোখে। রজনীকান্ত বা কমল হাসানের মতো কোনও গডফাদার ছাড়াই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছিলেন বিজয়। শুরুর দিনগুলোতে তাঁকে নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। কিন্তু ‘গিল্লি’ সিনেমার পর থেকেই বিজয়ের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। সাধারণ ছেলের ইমেজ থেকে তিনি হয়ে ওঠেন ‘থালাপতি’। তবে সাফল্যের শিখরে থাকলেও ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা সুখের হয়নি বিজয়ের। স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণলিঙ্গমের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের গুঞ্জন এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে সম্পর্কের রটনা তাঁকে বারবার শিরোনামে এনেছে। এমনকি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি নিয়েও চর্চা কম হচ্ছে না।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *