দশম মহাবিদ্যার প্রথম শক্তি তিনি। চার হাত। একহাতে খড়গ। গলায় নরমুণ্ড। রক্তচক্ষু। মা কালীর পরিচিত রূপ এটাই। তবে মায়ের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন রূপে মা পূজিত হন। কখনও তিনি কৌশিকী, তিনিই আবার দীপান্বিতা, তিনিই মা চণ্ডী। প্রতিটি অমাবস্যায় মা পূজিত হন। জ্যৈষ্ঠর অমাবস্যায় কালী মা পূজিত হন ফলহারিণী নামে। হিন্দুমতে, বিশ্বাস করা হয় ফলহারিণী কালীপুজো করলে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে। শুভফল পাওয়া যায়।
- বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১৬ মে, ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে শুরু অমাবস্যা। তিথি শেষ মধ্যরাত ১টা ৩১ মিনিট।
- গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে, অমাবস্যা তিথি শুরু ১৫ মে, শুক্রবার ভোর ৪টে ১ মিনিটে। তিথি শেষ পরদিন ১৬ মে, মধ্যরাত ১টা ৪৯ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে। জ্যোতিষমতে ফলহারিণী পুজোর দিন বিশেষ একটি নিয়ম মানলে ব্যক্তিগত সিদ্ধিপূরণ হতে পারে।
স্রেফ একটি মরশুমি ফল দিয়ে প্রথমে দেবীর পুজো দিতে হবে।
তারপর দেবীকে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে নিজের মনের কথা জানাতে হবে।
পুজো শেষে নির্দিষ্ট ফলটি বাড়িতে এনে রেখে দিন। কোনওভাবেই ওই ফল খাওয়া যাবে না।
এমনকী আগামী এক বছর ওই বিশেষ ফল খেতে পারবেন না ব্রতী।
যদি এক বছরের মধ্যেই নিজের মনস্কামনা পূরণ হয় তাহলে প্রসাদী ফলটিকে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে হবে।
তারপর মায়ের পুজো দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ওই ফল খাওয়া যেতে পারে।
