এ বছর জন্মাষ্টমী পড়েছে ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর। সাধারণত এভাবে দুদিন ধরে জন্মাষ্টমী তিথি পড়ে না। কিন্তু পঞ্জিকা মতে এই বছর দুই দিনই জন্মাষ্টমী। হিন্দু শাস্ত্রে রাতের বেলা, বিশেষ করে ‘নিশীথ কাল’ বা ঠিক মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মক্ষণ উদযাপনের নিয়ম রয়েছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি ৪ এবং ৫ সেপ্টেম্বর দু’দিন ধরেই থাকছে। তবে গৃহস্থ এবং মঠ-মন্দিরের পুজোর নিয়মে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নাড়ু গোপাল (Sri Krishna) নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটা মিষ্টি হাসিমুখ আর মাখন চুরির মজার সব গল্প। জন্মাষ্টমী মানেই ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ, আনন্দে মেতে ওঠার দিন। সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাঙালির ঘরে ঘরেও পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।
বাড়িতে নাড়ু গোপাল থাকলে অনেকেই খুব ভক্তিভরে পুজো করেন। কিন্তু অজান্তেই একটা বড় ভুল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, শ্রীকৃষ্ণের পুজো বা ভোগে তুলসী পাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তুলসী পাতা ছাড়া নাড়ু গোপালের পুজো একেবারেই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই পঞ্চামৃত বা মাখন-মিছরির ভোগ বানানোর পর তাতে তুলসী পাতা দিতে কখনও ভুলবেন না। পাশাপাশি, নাড়ু গোপালকে স্নান করানোর জন্য পরিষ্কার পাত্র ব্যবহার করবেন। দুধ, দই, ঘি, মধু ও গঙ্গাজল একসঙ্গে মিশিয়ে পঞ্চামৃত তৈরি করাটাই হল সঠিক নিয়ম। যাঁরা এই বিশেষ দিনে উপোস করে থাকেন, তাঁরা পুজোর পরের দিন অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর সকালে সূর্য ওঠার পর নিয়ম মেনে ব্রত ভাঙতে পারবেন। কথায় আছে, ভক্তিভরে ডাকলে ভগবান ঠিক সাড়া দেন।
