আয় ভালো হলেও ব্যয় কিছুতেই নিয়ন্ত্রনে আসছে না। এর প্রধান কারণ ‘নজর’। সেই নজর কাটিয়ে উঠতে হলে বাস্তুশাস্ত্রের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। অনেকেই আছেন যাদের মাসের শেষে সঞ্চয়েও হাত দিতে হয়। কিন্তু জানেন কি শুধুই বাজার মূল্য বা খরচের হাতই এর নেপথ্যের কারণ কিন্তু নয়। রয়েছে গ্রহের কারসাজিও।ব্যাপারটা ঠিক কী? যে কারও অর্থাগম নির্ভর করে বুধের উপর। যদি বুধ কারও দুর্বল হয়ে যায় সেক্ষেত্রে দেখা যায় আয়ের থেকে ব্যয় বেশি হয়ে যায়। সামাল দিতে গিয়ে কার্যত নাজেহাল দশা হয়। চারপাশ ধার-দেনাও হয়ে যায়। এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে যে কাউকে উদ্ধার করতে পারে শুক্র, বৃহস্পতি এবং মঙ্গলের শুভ দৃষ্টি। কিন্তু যতক্ষণ না তা হচ্ছে, ততক্ষণ আপনি হাজার চেষ্টা করুন না কেন, লাভের লাভ হয় না।
সমস্যা সামাধানের কিছু উপায় কিন্তু রয়েছে আপনার হাতেও। বাস্তুশাস্ত্র বলে, নিয়ম মেনে টাকা-পয়সা রাখলে তা কিছুটা হলেও সঞ্চয় করা সম্ভব। কমবেশি সকলেই আলমারির লকারে রাখেন টাকা। এক্ষেত্রে কারও লকার যদি দক্ষিণমুখী হয়ে থাকে তাহলে তা কিন্তু নেতিবাচক। মনে রাখবেন লকার সর্বদা রাখতে হবে উত্তর বা পূর্বমুখী। যা ইতিবাচক ফল দেয়। বলা হয়, যদি একটি হলুদ কাপড়ে গোটা হলুদ বেঁধে রান্নাঘরের কোনও গোপন কোণায় রাখেন তা অর্থাগমের পথ প্রশস্ত করে। ফলে আর্থিক টানাপোড়েন কমে। এছাড়া ঘর ও রান্নাঘর সর্বদা পরিষ্কা রাখা বাঞ্চনীয়। কারণ, অপরিচ্ছন্ন জায়গায় বাসা বাঁধে অশুভ শক্তি। এছাড়া চেষ্টা করুন সামর্থ্য মতো দান করার। দারিদ্রের পাশে দাঁড়ালে খুশি হন মা লক্ষ্মী।
