www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 29, 2026 11:57 pm

তীব্র দাবদাহের মাঝেও মায়েরা নির্জলা উপোস করেন শুধুমাত্র সন্তানের দীর্ঘায়ু আর মঙ্গল কামনায়।

তীব্র দাবদাহের মাঝেও মায়েরা নির্জলা উপোস করেন শুধুমাত্র সন্তানের দীর্ঘায়ু আর মঙ্গল কামনায়। ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী কবে পড়েছে, আর কেনই বা এই ব্রত এত গুরুত্বপূর্ণ, চলুন দেখে নেওয়া যাক।

নীলষষ্ঠী ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন অর্থাৎ চড়ক উৎসবের আগের দিন নীলপুজো পালন করা হয়। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ১৩ এপ্রিল (২৯ চৈত্র) সোমবার পড়েছে নীলষষ্ঠী। এদিন সন্ধ্যাবেলাই মূলত শিবের মাথায় জল ঢেলে ব্রত পালনের নিয়ম পালন করেন মায়েরা।

  • কেন মায়েরা নীলষষ্ঠী করেন?

নীলষষ্ঠী পালনের পেছনে একাধিক পৌরাণিক ও লৌকিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি গল্প সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়: শিব-নীলাবতীর পরিণয়: শোনা যায়, দক্ষযজ্ঞে সতী দেহত্যাগ করার পর নীলধ্বজ রাজার বিল্ববনে পুনরায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। রাজা তাঁকে নিজের কন্যার মতো বড় করে তোলেন এবং মহাদেবের সঙ্গে বিয়ে দেন। কিন্তু বাসর ঘরেই নীলাবতী মৃত্যুবরণ করেন। এই শোকে রাজা-রাণীও প্রাণ বিসর্জন দেন। অনেকে মনে করেন, শিব ও নীলাবতীর এই বিবাহের স্মৃতিতেই নীলপুজো হয়ে আসছে।

  • ব্রত পালনের নিয়ম ও বিশেষ মুহূর্ত

নীলষষ্ঠীর দিনটি নির্দিষ্ট কোনও ক্ষণ মেনে হয় না, তবে সন্ধ্যার সময়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এদিন সারা দিন নির্জলা উপোস থাকতে হয়। সন্ধ্যাবেলায় শিবলিঙ্গে গঙ্গার জল, দুধ ও ঘি দিয়ে স্নান করাতে হয়। বেলপাতা, আকন্দ বা অপরাজিতা ফুলের মালা মহাদেবকে অর্পণ করতে হয়। সন্তানের নামে মন্দিরে বা বাড়ির শিব ঠাকুরের সামনে মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *