www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 14, 2026 4:34 pm

আর আগের মতো উদার হাতে প্রসাদ বিতরণ সম্ভব হচ্ছে না তারাপীঠ বা দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ মা তারার মন্দিরে। জ্বালানি সঙ্কটের কারণে তারাপীঠের প্রসাদ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন হাজার হাজার ভক্ত। জাগ্রত তারাপীঠ মন্দিরেও LPG গ্যাসের ঘাটতি। বন্ধ হয়ে যাবে ভোগ বিতরণ?

  • তারাপীঠ মন্দিরে LPG সঙ্কটের কী প্রভাব?
    প্রতিদিন অগুন্তি ভক্তদের ভোগ বিলি করা হয় তারাপীঠ মন্দিরে। সজল কুমার ভট্টাচার্য মিলন পাণ্ড বলেন, ‘উপসাগরীয় যুদ্ধের জেরে তো এই সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এতে ভারত সরকারের তো কিছু করার নেই। কিন্তু একটু অসুবিধে তো হচ্ছেই। ভোগে কাটছাঁট করতে বাধ্য হয়েছি তাই। ভাণ্ডারার ভোগ মূলত গ্যাসেই রান্না করা হয়। মায়ের ভোগ হয় উনুনে। তাই আপাতত ভাণ্ডারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হয়েছে।’ জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ৫০০ ভক্তের জন্য ভাণ্ডারের রান্না করা হলে এখন তা কমিয়ে ২০০-২৫০ করা হচ্ছে। যদিও গত বুধবার ভাণ্ডারা বন্ধই রাখতে হয়েছিল তারাপীঠ কর্তৃপক্ষকে। সজল আরও বলেন, ‘বুকিং করলেও সিলিন্ডারের সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ভাণ্ডারা বন্ধই করে দিতে হবে।’
  • দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে কী পরিস্থিতি?
    ISKCON কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস বলেন, ‘দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রায় ৩ হাজার ভক্তের প্রসাদ রান্না করা হত কিন্তু এখন সেটা কমিয়ে সাড়ে ৭০০ করা হয়েছে। গ্যাসের সাপ্লাই কম রয়েছে তাই এটা করতে হচ্ছে। ভগবানের ভোগের জন্য গ্যাস থাকলেও পুণ্যার্থীদের জন্য এই কাটছাঁট করতেই হচ্ছে। ISKCON কলকাতাতেও সন্ন্যাসীদের জন্য খিচুড়ি রান্না করা হয়েছে কারণ মাত্র ২ দিনের স্টক রয়েছে গ্যাসের।’ ISKCON মন্দিরের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কেউ যেন খালি পেট না থাকে, এর জন্য প্রতিদিন বিকেলে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। তবে গ্যাসের সঙ্কট বজায় থাকলে তাতে বিঘ্ন হতে পারে বলেই মনে করছেন রাধারমন দাস।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *