www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 12, 2026 12:39 pm

জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।' এটা আদর্শ নিদর্শন হতে পারে একাধিক মন্দির 

‘জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।’ এটা আদর্শ নিদর্শন হতে পারে একাধিক মন্দির । গরুকে সাধারণত গোমাতা হিসাবে বহু জায়গায় পুজো করা হয়। ষাঁড়ও পূজিত হয়। সাপও পূজিত হয় নাগদেবতা হিসাবে। তবে ব্যতিক্রমী হিসাবে কোনও কোনও মন্দিরে ইঁদুর ও কুকুরেরও পুজো হয়। রাজস্থানের কর্ণিমাতা মন্দির অত্যন্ত জনপ্রিয়। অনেকেই বিশ্বাস করেন কর্ণিদেবীর পুজো করলে মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। এই মন্দিরে পূজিত হয় ইঁদুরও। হাজার হাজার ইঁদুর মন্দিরে অবাধে ঘুরে বেড়ায়। সেখানে ইঁদুরকে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। সেখানে স্থানীয়রা ইঁদুরকে ‘কাব্বাস’ বলেন। এলাকার অনেকেই মনে করেন পায়ের উপর দিয়ে ইঁদুর চলে গেলে সৌভাগ্য লাভ হয়। সাদা ইঁদুর পায়ের উপর দিয়ে চলে গেলে সংসারের শ্রীবৃদ্ধি হয় বলেই আশা। ঈশ্বরের আপন দেশ কেরলম। সেখানের সৌন্দর্যের টানে বহু মানুষ প্রতি বছর ছুটে যান। সেই কেরলমে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ মান্নারাসালা মন্দির। ওই মন্দিরে ‘সাপদেবতা’ পূজিত হন। সাপকে প্রসাদ হিসাবে দুধ নিবেদন করা হয়। আর ওই দুধকে পবিত্র বলে মনে করা হয়।

নেপালের কামধেনু মন্দিরে প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী ভিড় জমান। সংসারে সুখ ও শ্রীবৃদ্ধির আশায় ওই মন্দিরে অনেকে যান। সেখানে গোমাতার পুজো করা হয়। কর্নাটকেও অনেক মন্দিরে গোমাতা পূজিতা হন। গরুর গলায় মালা পরিয়ে বরণ করা হয়। দেওয়া হয় প্রসাদও। কর্নাটকের ছান্নাপাটনা মন্দিরে পূজিত হয় কুকুর। মন্দিরে ঢোকার মুখে দু’টি কুকুরকে দেখা যায়। কুকুর প্রভুভক্ত জীব। বিশ্বাস করা হয়, তারা প্রয়োজনে প্রাণ বলি দিয়ে প্রভুর জীবনরক্ষা করে। সেকথা অনুযায়ী স্থানীয়দের বিশ্বাস, মন্দিরের দরজায় থাকা দুটি সারমেয় মন্দির পাহারা দেবে। কোনও অশুভ শক্তিকে ওই মন্দির স্পর্শ করতে দেবে না। ছত্তিশগড়ের চণ্ডীমাতা মন্দিরে আবার পূজিত হয় ভাল্লুক। বন্য ভাল্লুকেরা মন্দিরে ঘোরাফেরা করে। তাদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আবার প্রসাদও দেওয়া হয়। সেই মন্দিরে থাকা ভাল্লুক সাধারণত কাউকে আঘাত করে না। যদি আঘাত করে তাহলে বিশ্বাস করা হয়, ওই ব্যক্তি কোনও বাজে কাজ করেছেন। তার ফলে ভগবানই হয়তো শাস্তি দিয়েছেন ওই ব্যক্তিকে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *