www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

March 10, 2026 2:52 pm

স্থানীয় বিশ্বাস সীতার খোঁজে যখন হনুমান শ্রীলঙ্কায় আসেন তখন প্রথন এই স্থানেই পা রাখেন। তাই এই মন্দিরকে খুবই পবিত্র মনে করা হয়।

স্থানীয় বিশ্বাস সীতার খোঁজে যখন হনুমান শ্রীলঙ্কায় আসেন তখন প্রথন এই স্থানেই পা রাখেন। তাই এই মন্দিরকে খুবই পবিত্র মনে করা হয়। মনে করা হয়, এখানে ভগবান হনুমান খুবই জাগ্রত। উৎকৃষ্ট মানের চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত শ্রীলঙ্কা। চা বাগান সমৃদ্ধ হিল স্টেশনের মুখ্য দ্বার মনে করা হয় নুওয়ারা এলিয়াকে। সেখানে থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার উত্তরে গেলেই রামবোড়া উপত্যকা। আর সেই উপত্যকায় দাঁড়িয়ে রয়েছে ভক্ত হনুমান মন্দির। এখানকার সবচাইতে নিকটবর্তী ট্রেন স্টেশনের নাম নানু ওয়া। মন্দিরে পৌঁছানোর জন্য নানু ওয়া স্টেশনে নেমে ক্যাব ভাড়া করে নেওয়া যেতে পারে। অসামান্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এই রামবোড়া উপত্যকার। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে যেদিকেই তাকানো যায়, কেবল সবুজ আর সবুজ চোখে পড়ে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সীতা মায়ের খোঁজে যখন শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ করেন হনুমান, তখন প্রথম পদক্ষেপটি করেন এই উপত্যকায়।

ক্লান্ত হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রামও নেন এখানেই। তারপর আবার শুরু করেন খোঁজ। সীতা মাতা সেই সময়ে লঙ্কার রাজা রাবণের কাছে বন্দিনী। অশোককাননে বসে শ্রীরামের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। আরও একটি কাহিনি প্রচলিত রয়েছে এই উপত্যকার নামকরণ নিয়ে। তামিল ভাষায় রামবোড়া বা রামপড়াই শব্দের অর্থ শ্রীরামের বাহিনী। তাই লোক বিশ্বাস, রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার সময় এই উপত্যকায় দাঁড়িয়েই তাঁর বানর সেনাকে একত্রিত করেন শ্রীরাম। যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়ে ওঠেন। তারপর দলবল সমেত ঝাঁপিয়ে পড়েন রণক্ষেত্রে। একেবারেই অনাড়ম্বর ভক্ত হনুমান মন্দিরের বাইরের সজ্জা। মন্দিরের চূড়া আর ফটকে যদিও নিখুঁত কারুকাজ চোখে পড়ে। মন্দিরের সৌন্দর্য বহু গুণ বাড়িয়ে তোলে চারপাশের প্রকৃতি। একপাশে ঘন জঙ্গল, চায়ের বাগান, অন্যপাশে গিরিখাত— রামবোড়া উপত্যকায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা যেন স্বপ্নের শামিল, বিশ্বাস পর্যটকদের। এই মন্দিরের বয়স বেশি নয়। শ্রীলঙ্কার চিন্ময় মিশনের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে এর নির্মাণ হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *