রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোল উৎসবকে প্রথাগত ধর্মীয় গণ্ডি থেকে বের করে শান্তিনিকেতনে ‘বসন্ত উৎসব’ হিসেবে নতুন রূপ দিয়েছিলেন । বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বিশ্বভারতীতে কবিগুরু প্রবর্তিত এই উৎসবে আবির খেলা, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও কবিতা পাঠের মাধ্যমে প্রকৃতি ও বসন্তকে বরণ করা হয়, যা এখন বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ । রবীন্দ্রনাথ ও দোল উৎসবের মূল বিষয়সমূহ:
বসন্ত উৎসবের সূচনা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোলের দিন (দোল পূর্ণিমা) শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব শুরু করেন, যা প্রকৃতির রূপ বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রঙের উৎসব ।
ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন: এই উৎসব প্রথাগত হোলির চেয়ে আলাদা; এটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বাউল গান এবং রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব সৃষ্টিশীলতা নিয়ে গড়া।
পোষাক ও আবির: উৎসবের মূল আকর্ষণ হলুদ পোষাক পরিহিত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রভাতফেরি, ফুলেল সাজ এবং একে অপরকে আবির মাখানো।
উদ্দেশ্য: আচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের মতে, রবীন্দ্রনাথ এই উৎসবের মাধ্যমে সত্য ও সুন্দরের জয়কে তুলে ধরেছিলেন। শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব আজ বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
