www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

July 18, 2026 3:15 pm

জগন্নাথদেবকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আছে নানা অভিনব সব গল্প।

জগন্নাথদেবকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আছে নানা অভিনব সব গল্প। কালনার এই জগন্নাথ কিন্তু সত্যি ব্যতিক্রম। কথায় বলে ‘ঠুঁটো’ জগন্নাথ! একথা ছোটবেলা থেকে কে না শুনেছেন? প্রভু জগন্নাথদেব যতটা শ্রদ্ধার, ততটাই যেন বাঙালির আপন। তাই পুজো দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘ঠুঁটো’ বলতেও পিছপা হন না কেউ। এ যে ভালোবাসারই ডাক! আর জগন্নাথদেবকে এই রূপে দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু ব্যতিক্রম কালনায়। এখানকার জগন্নাথদেবের দুটি হাত রয়েছে। আর সেটাই বিশেষ আকর্ষণ ভক্তদের কাছে। রথের দিন তাই কালনার হাতযুক্ত জগন্নাথদেবকে দেখতে বিশাল ভিড় হল। কালনার জগন্নাথতলার রথযাত্রায় বছরের পর বছর অদ্ভুত এই বৈপরীত্য বহন করায় এখানকার রথযাত্রার আকর্ষণ একেবারেই অন্যরকম। জানা গিয়েছে, এই রথ উৎসবের প্রতিষ্ঠা করেন বর্ধমানের রাজারা। রাজাই স্বপ্নাদেশ পান, স্নানযাত্রা, রথযাত্রা ও উল্টোরথে জগন্নাথ হবেন হাতযুক্ত। বলরামও তাই।

এই তিনদিনের জন্য জগন্নাথ ও বলরামকে পিতলের হাত পরানো হয়। শুধু সুভদ্রা থাকবেন চিরাচরিত হাতহীন অবস্থায়। সেই পরম্পরা আজও বহমান কালনার জগন্নাথতলার রথে। রথযাত্রা উপলক্ষ্যে বসেছে মেলাও। অন্যদিকে বর্ধমান রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠিত কালনার লালজি মহারাজের রথযাত্রা ২৮৭ বছরে পড়ল। এবার এই রথ সরকারি অনুদান পাওয়ায় জৌলুস যেমন বেড়েছে, তেমনই বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। রথযাত্রার রীতি মেনে মন্দির থেকে লালজি মহারাজকে পালকিতে চাপিয়ে বের করে তোলা হয় রথে। এখানকার টেরাকোটার বিশাল মন্দিরের সামনে রয়েছে কারুকার্যময় নাটমণ্ডপ। এখানকার রথে জগন্নাথ, বলরাম বা সুভদ্রা নন, চড়েন লালজি মহারাজ।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *