গরমে তেতেপুড়ে ভক্ত এসেছে ভগবানের দোরে। তৃষ্ণায় ফেটে যাচ্ছে ছাতি। এমন অবস্থায় ভক্তের প্রাণ জুড়াতে পারে কেবল প্রসাদই। তাই তো জগন্নাথদেবের প্রসাদের তালিকায় রয়েছে এমন এক পানীয়, যা পান করলে নিমেষে শান্ত হয় দেহ-মন। পথের ক্লান্তি ভুলে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তিতে দুই হাত জড় হয়ে আসে ভক্তের। মনে করা হয়, হাজার বছর ধরে জগন্নাথদেবের ভোগের (Jagannath Dham) মধ্যে এই পানীয় প্রদান করার চল রয়েছে। ছাপান্ন ভোগে যে ভাত দেওয়া হয় ইশ্বরকে, তা থেকেই কিছুটা তুলে নিয়ে, জলে দীর্ঘ সময় ভিজিয়ে রেখে তৈরি হয় এই পানীয়। এত বছর পার করেও তার তৈরির পদ্ধতিতে কোনও বদল আসেনি।
তবে তা নির্দ্বিধায় পান করতে পারেন সেখানের জনসাধারণও। ওড়িশার এই পানীয়র নাম ‘টঙ্কা তোরানি’ (Tonka Torani)। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রসাদ হিসেবে তো বটেই, রথযাত্রার সময়েও পান করা হয় এটি। মানুষ চাইলে গ্রীষ্মের প্রবল দাবদাহের সঙ্গে যুঝতে, বাড়িতেও বানিয়ে পান করতে পারেন। চলতি শরবতের মতো চিনি বা মিষ্টির নামগন্ধ নেই এতে। বরং স্বাদে ঝাল-টকের আধিক্যই পাওয়া যায়। ‘টঙ্কা তোরানি’ শরীরকে ডিহাইড্রেটেড হতে দেয় না। টক্সিনমুক্ত হতে সাহায্য করে। তাছাড়া জারণ করে তৈরি হয় বলে এতে প্রোবায়োটিক থাকে, যা হজমে সাহায্য করে।
