www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 26, 2026 11:16 am

মুম্বাইয়ে রেখার মতো এতো রহস্যময় জীবন হয়তো আর কারোর নেই।

মুম্বাইয়ে রেখার মতো এতো রহস্যময় জীবন হয়তো আর কারোর নেই। লম্বা জীবনের মাঝে তাঁর এসেছে নানা বাঁক। এই সবটা নিয়েই তিনি রেখা। প্রায় ৭০ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও তাঁকে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহে এতটুকু ভাটা পড়েনি। কখনও অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে, তো কখনও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে উত্তাল হয়েছে বি-টাউন। অকাতরে জুড়েছে ‘ঘরভাঙানি’র মতো কদর্য তকমা, তাঁর চরিত্র নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। অথচ এই ঝলমলে আলোর পেছনের সত্যটা অন্যরকম—পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের মুখে পড়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সেই বাধ্য হয়ে গ্ল্যামার দুনিয়ায় পা রাখতে হয়েছিল তাঁকে। ব্যক্তিগত জীবনেও নানা ঝড়ঝাপটা সইতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে। দিল্লির শিল্পপতি মুকেশ আগরওয়ালকে বিয়ে করলেও সেই বিবাহিত জীবন বেশিদিন টেকেনি। বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই আত্মহত্যা করেন মুকেশ। কিন্তু স্বামীর অকালপ্রয়াণের পরও রেখার মাথায় দেখা যেত সিঁদুর। আজ এত বছর পরেও বহু অনুষ্ঠানে একমাথা সিঁদুর পরেই জনসমক্ষে আসেন তিনি, যা নিয়ে পেজ-থ্রি সংস্কৃতির কৌতুহল চিরকালই তুঙ্গে।

এই বিতর্কের সূত্রপাত মূলত ঋষি কাপুর ও নীতু সিংয়ের বিবাহবাসরে। সেদিন লাল শাড়ি আর সিঁথিতে লাল সিঁদুর পরে রেখা যখন হাজির হন, মুহূর্তে তা বলিপাড়ার প্রধান খবরের বিষয় হয়ে ওঠে। কিন্তু কেন তিনি আজও সিঁদুর পরেন? রেখার জীবনীকার ইয়াসির উসমান তাঁর বইয়ে উল্লেখ করেছেন, নীতু-ঋষির বিয়ের রাতের সেই চর্চা নিয়ে রেখা নাকি এক অদ্ভুত কৈফিয়ত দিয়েছিলেন। অভিনেত্রী জানান, সেদিন একটি ছবির শুটিংয়ে তাঁকে সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্র পরতে হয়েছিল। সেখান থেকে তাড়াহুড়ো করে সরাসরি বিয়ের অনুষ্ঠানে চলে আসায় মেকআপ তোলার সময় পাননি। যদিও এই ব্যাখ্যা অনেকের কাছেই খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি।তবে অন্য এক সাক্ষাৎকারে রেখা এই নিয়ে একেবারেই অন্যরকম একটি উত্তর দেন। তিনি বলেন, “আমার জন্ম যে শহরে, সেখানে সিঁদুর পরাটাকে ফ্যাশনের অংশ বলেই মনে করা হয়। তা ছাড়া আমার মনে হয় সিঁদুরে আমাকে দেখতে বেশ ভালো লাগে, মানায়ও খুব সুন্দর। তাই পুরোপুরি নিজের আনন্দের জন্যই আমি সিঁদুর পরি।”

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *