www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

January 10, 2026 3:40 am

পৌষ কালীপূজা (Poush Kali Puja) হল বাংলা পৌষ মাসে (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি) পালিত এক বিশেষ কালী পূজা, যা পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী বা অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং মূল উপকরণ হিসেবে মূলো উৎসর্গ করা হয়, যা প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীকে উৎসর্গ করার পর চৈত্র মাস পর্যন্ত খাওয়া হয় না

পৌষ কালীপূজা (Poush Kali Puja) হল বাংলা পৌষ মাসে (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি) পালিত এক বিশেষ কালী পূজা, যা পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী বা অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং মূল উপকরণ হিসেবে মূলো উৎসর্গ করা হয়, যা প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীকে উৎসর্গ করার পর চৈত্র মাস পর্যন্ত খাওয়া হয় না। এই পূজা মূলত অশুভ শক্তি বিনাশ, সুখ-সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিক মুক্তির জন্য করা হয় এবং দেবীকে ‘মুলোকালী’ বা ‘পৌষালী মমতাময়ী’ রূপেও আরাধনা করা হয়।

** পৌষ কালীপূজার বৈশিষ্ট্য:

  • সময়: পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে বা অমাবস্যায় এই পূজা হয়, যা সাধারণত বছরের প্রথম অমাবস্যার কাছাকাছি সময়ে পড়ে।
  • দেবীর রূপ: মা কালীকে এখানে মমতাময়ী, ক্ষমাময়ী ‘পৌষালী’ রূপে পূজা করা হয়, যা সাধারণ দীপান্বিতা কালীর চেয়ে ভিন্ন।
  • মুলোর গুরুত্ব: পূজার প্রধান উপকরণ হলো ‘মুলো’। দেবীকে মুলো নিবেদন করা হয় এবং ভক্তরা চৈত্র মাস পর্যন্ত মুলো খান না, যা পাপ মুক্তির প্রতীক।
  • পূজার উদ্দেশ্য: অশুভ শক্তিকে দমন করে জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আনা।
  • পূজা পদ্ধতি: সাধারণত দক্ষিণাকালী রূপের আদলে মূর্তি তৈরি হয়, যা কালো বা নীল রঙের হয় এবং চারটি হাত বিশিষ্ট হয়। ** পৌষকালী পূজার তাৎপর্য:
    পৌষ মাস শীতের প্রকোপে যখন প্রকৃতিতে অন্ধকার ঘনীভূত হয়, তখন মা কালীকে পূজা করে ভক্তরা নিজেদের মনের অন্ধকার দূর করেন এবং তাঁর দিব্য শক্তি লাভ করেন। এই তিথিতে মুলো নিবেদন করলে পাপরাশি দেবীর চরণে সমর্পিত হয় এবং ভক্তরা পুণ্য অর্জন করেন

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *