বিশেষ করে শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় বা ছোট ফ্ল্যাটে জায়গার বড্ড অভাব। আর এই অভাব মেটাতেই অনেকে সিঁড়ির তলার ফাঁকা অংশে বানিয়ে ফেলেন শৌচাগার। কিন্তু অজান্তেই এই সিদ্ধান্ত কি ডেকে আনছে চরম অমঙ্গল? বাস্তুবিদদের মতে, শৌচাগার হল বাড়ির এমন একটি অংশ, যা সঠিক দিকে না হলে ঘরে নেতিবাচক বা অশুভ শক্তির প্রবেশ প্রায় নিশ্চিত। তবে উপায়? উপায় অবশ্যই রয়েছে। যাঁদের ইতিমধ্যেই সিঁড়ির নিচে বাথরুম তৈরি হয়ে গিয়েছে বা যাঁরা করার কথা ভাবছেন তাঁরা বাস্তু বিশেষজ্ঞের মত অনুযায়ী এই নিয়মগুলি ঠিকঠাক মেনে চললে কোনও বড়সড় বিপদের মুখে পড়তে হবে না।
সিঁড়ির তলার বাথরুমে জল জমে থাকা অত্যন্ত অশুভ লক্ষণ। সেখানকার ড্রেনেজ বা জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা যেন একেবারে নিখুঁত হয়। জল আটকে থাকলে তা পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।
বাড়ির মূল মেঝের উচ্চতার সঙ্গে সিঁড়ির তলার শৌচাগারের মেঝের উচ্চতা সমান রাখাটাই সবচেয়ে শ্রেয়। যদি কোনও কারণে তা সম্ভব না হয়, তবে সামান্য ছোট বা নিচু করা যেতে পারে। তবে কোনও ভাবেই যেন মেঝের উচ্চতা অতিরিক্ত বেশি ছোট বা অসমান না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।
এই ধরনের বাথরুমের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন যদি পরিষ্কার করা সম্ভব নাও হয়, তবে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন নিয়ম করে সম্পূর্ণ শৌচাগারটি ভালো করে পরিষ্কার করতেই হবে। নোংরা বাথরুম বাস্তু দোষকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
