মা বগলামুখী হলেন দশমহাবিদ্যার অষ্টম রূপ, যিনি শত্রু বিনাশ, মামলা-মোকদ্দমা জয় এবং অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার দেবী। পীতবর্ণা (হলুদ) দেবীর সাধনা সাধারণত মঙ্গলবার বা বিশেষ তান্ত্রিক বিধি মেনে করা হয় । তিনি পীতাম্বরী নামেও পরিচিত । ভক্তিভরে হলুদ পোশাক ও নৈবেদ্য নিবেদন করে তাঁর পুজো করা হয় ।
বগলা মায়ের পুজো ও সাধনার মূল দিকগুলো:
পুজোর উদ্দেশ্য: ভক্তদের মত অনুযায়ী, মা বগলা জীবনের বাধা, শত্রুর প্রভাব এবং মানসিক ভ্রান্তি দূর করতে সাহায্য করেন ।
বিশেষ সময়: মঙ্গলবার মা বগলামুখীর বিশেষ পূজার দিন।
পুজো বিধি ও সামগ্রী: দেবী পীতবর্ণের উপাসক, তাই হলুদ ফুল, হলুদ চন্দন, পীত নৈবেদ্য এবং হলুদ বস্ত্র ব্যবহার করা হয়। মন্ত্র এবং স্তোত্র পাঠের মাধ্যমে তাঁর আরাধনা করা হয়।
- হবন বা যজ্ঞ: বগলামুখী হবন বা যজ্ঞের মাধ্যমে দেবীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়, যা অশুভ শক্তি নিবারণে অত্যন্ত শক্তিশালী বলে বিশ্বাস করা হয়।
- সতর্কতা: মা বগলামুখী ঘোর তান্ত্রিক আচারের দেবী, তাই সঠিক জ্ঞান বা গুরু দীক্ষা ছাড়া সাধারণ গৃহস্থের বাড়িতে নিয়মিত পুজো করা উচিত নয় । বিস্তারিত পুজো পদ্ধতি জানতে এই ডিজিটাল বইটি দেখতে পারেন।
- স্তোত্র ও মন্ত্র: ভক্তরা সাধারণত ‘বগলামুখী স্তোত্র’ পাঠ করে মায়ের শরণাপন্ন হন ।
- বিশেষ দ্রষ্টব্য: মা বগলার সাধনা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সংবেদনশীল, তাই নিয়ম না মেনে সাধনা করলে বিপদ হতে পারে বলে প্রচলিত বিশ্বাস।
