www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

September 2, 2026 8:50 am

ছেলেকে কম্পিউটার শেখানোর প্রথম পর্ব হলো কিবোর্ডের সঙ্গে পরিচয় করানো

ছেলেকে কম্পিউটার শেখানোর প্রথম পর্ব হলো কিবোর্ডের সঙ্গে পরিচয় করানো। আর ছেলের হাতেই সেই কিবোর্ড ট্যাটু করে দিলেন মা। জেসিকা ফ্লেচার নামে এক মায়ের কাহিনি শুনলে একমত হবেন আপনিও। নিজের বিশেষভাবে সক্ষম ছেলের শিক্ষার জন্য তিনি যা করেছেন, সেই গল্প আপাতত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। ছেলের শিক্ষা আর নিজের ফ্যাশন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে তাঁর বাহুতে। কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। কি এমন করেছেন জেসিকা? তা জানতে হলে আগে একটু জেসিকার ১১ বছরের ছেলে হান্টারের সঙ্গে আলাপ সারতে হবে। হান্টার ছোটবেলা থেকে বিশেষভাবে সক্ষম, অটিজমে আক্রান্ত। আমাদের মতো স্বাভাবিক শিক্ষণ ক্ষমতা নেই তার। সোজাপথে অক্ষর বা সংখ্যা চিনতে পারে না হান্টার। তাই গোড়া থেকে তার শেখার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অগমেনটেটিভ অ্যান্ড অল্টারনেটিভ কমিউনিকেশন ডিভাইস কিনে দিয়েছিলেন জেসিকা।

এটি একটি ট্যাব, যার সাহায্যে ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিজের সুবিধামতো পদ্ধতিতে সব শিখে নিচ্ছিল ১১ বছরের অটিস্টিক বাচ্চাটি। কিন্তু একদিন হান্টারের সেই যন্ত্রের ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। তাতেই বিস্তর সমস্যায় পড়ে সে। তাঁর শিক্ষা থমকে যায়। জেসিকা পড়েন মহা চিন্তায়। ন্যাপকিনে কিবোর্ড এঁকে ছেলেকে পড়ানোর চেষ্টা করেছেন কিন্তু তা খুব একটা সফল হননি। অনেক কিছুই বুঝতে পারছিল না হান্টার। এরপরই ‘ইউরেকা’ বলে উঠে পড়েন জেসিকা। নিজের হাতেই কিবোর্ডের ট্যাটু আঁকিয়ে ফেললেন! শুধু অক্ষর কিংবা যতিচিহ্ন নয়, হাত ভরে তিনি নানা স্মাইলিও আঁকিয়েছেন। খুশি, দুঃখ, রাগ, ভালোবাসা – সবরকম ইমোজি রয়েছে। রয়েছে ‘আই লাভ ইউ’ লিখে হৃদয়ের চিহ্নও, যাতে ছেলে সব বুঝতে পারে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *