www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

May 18, 2026 12:23 pm

বাড়ি তৈরির আগে সকলেই বাস্তুশাস্ত্রবিদের পরামর্শ নেন। কারণ বলা হয়, বাড়ি কোন মুখী, জমির ধরন, কোথায় রান্নাঘর, কোথায় বাথরুম-এই সবকিছুই প্রভাব ফেলে জীবনযাত্রার উপর

বাড়ি তৈরির আগে সকলেই বাস্তুশাস্ত্রবিদের পরামর্শ নেন। কারণ বলা হয়, বাড়ি কোন মুখী, জমির ধরন, কোথায় রান্নাঘর, কোথায় বাথরুম-এই সবকিছুই প্রভাব ফেলে জীবনযাত্রার উপর। তাই সকলেই চান সঠিকভাবে বাড়িটি তৈরি করতে, যাতে পরবর্তীতে কোনওরকম সমস্যা না হয়। একইভাবে বলা হয় গলির শুরু বা শেষপ্রান্তে বাড়ি মোটেই শুভ নয়। কিন্তু জানেন কি কেন? চলুন আজ দেখে নেওয়া যাক, গলির শেষ প্রান্তের বাড়িকে কেন অশুভ বলা হয় বাস্তুশাস্ত্রে। বলা হয়, গলির শুরু বা শেষপ্রাপ্ত অর্থাৎ টি-পয়েন্টে নেতিবাচক শক্তি সরাসরি প্রভাব ফেলে। সেখানে যদি বাড়ি থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়ে বাড়িতেও। ফলে পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয় বলেই দাবি বাস্তুশাস্ত্রবিদদের। গলির শুরু বা শেষপ্রাপ্তে বাড়ি হলে সর্বদা গাড়ির শব্দ লেগেই থাকে। যা পরিবারের সদস্যদের আচরণেও বদল আনে।

সহজেই সকলে বিরক্ত হয়ে যায়, উদ্বেগ পিছু ছাড়তে চায় না। সামান্য ইস্যু নিয়েও আকাশ-কুসুম চিন্তা করে, যা মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয় অনেকটা। ফলে সদস্যদের মধ্যে ছোটোছোটো বিষয়কে কেন্দ্র করেও বড় অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। কখনও তা চরম আকারও নেয়। শেষপ্রান্তে বাড়ি হলে নিরাপত্তাহীনতায়ও ভোগেন বাসিন্দারা।

মুক্তির উপায় –

১) নতুন করে জায়গা কিনলে সেক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও, অনেকেরই বংশপম্পরায় একই জায়গায় বাস। সেক্ষেত্রে গলিরা শেষপ্রান্তে বাড়ি হলেও তা বদলানোর অপশন থাকে না। এই সব পরিস্থিতিতে নেতিবাচক শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করতে মূল দরজার সামনে এমন গাছ লাগান, যা অনেক বড় হয়। এগুলো নেতিবাচক শক্তির প্রবেশে বাধা দেবে।

২) বাড়ির সামনে কনভেক্স মিরর রাখুন। এটি আলোকরশ্মিকে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়। এই আয়নায় সবসময় বস্তুর সোজা, আকারে ছোট এবং অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

৩) বাড়ি কি উত্তর-পূর্ব মুখী? তাহলে মূল দরজায় রাখুন ওয়াটার ফাউন্টেন। এতে বাড়ির পরিবেশ শান্ত হবে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *