www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 15, 2026 1:56 am

বাড়িতে ঠাকুরঘর বা পুজোঘর হল ইতিবাচক শক্তির প্রধান উৎস। ভক্তিভরে প্রতিদিনের নিত্যপুজোই সংসারে সুখ ও শান্তি বজায় রাখে

বাড়িতে ঠাকুরঘর বা পুজোঘর হল ইতিবাচক শক্তির প্রধান উৎস। ভক্তিভরে প্রতিদিনের নিত্যপুজোই সংসারে সুখ ও শান্তি বজায় রাখে। তবে বাস্তুমতে এই ঘর পরিষ্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে প্রতি শনিবার ঠাকুরঘর পরিষ্কার করা সবথেকে শ্রেষ্ঠ। শনিবার এই কাজ করলে বাড়িতে পবিত্র ভাব এবং শুদ্ধতা বজায় থাকে। এর ফলে গৃহস্থের উন্নতি ও শ্রীবৃদ্ধি ঘটে দ্রুত গতিতে। সিংহাসন পরিষ্কার করার সময় ঠাকুরের বিগ্রহ কখনও সরাসরি মাটিতে রাখবেন না। প্রথমে একটি শুদ্ধ কাপড় বা কাঠের জলচৌকি বিছিয়ে তার ওপর বিগ্রহ রাখুন। দেবতাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়ে তবেই পুজোর আসন বা স্থান পরিষ্কার করুন।

শুভ তিথি যেমন একাদশী, পূর্ণিমা বা অমাবস্যায় ঠাকুরঘর পরিষ্কার করা নিষিদ্ধ। শাস্ত্র মতে এই বিশেষ দিনগুলোতে পরিষ্কার করলে দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হতে পারেন। তাই অশুভ প্রভাব এড়াতে এসব তিথিতে ঠাকুরঘর মোছা বা ঘষাঘষি করবেন না। প্রতিদিন পুজোর আগে ও ঘর পরিষ্কারের পর অবশ্যই গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিন। গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিলে সমস্ত জায়গা এবং বিগ্রহ শুদ্ধ ও পবিত্র হয়ে ওঠে। শুদ্ধ মনে পুজো করলে দেবতারা প্রসন্ন হন এবং পরিবারের মঙ্গল হয়। ঠাকুরের সামনে যে প্রদীপ জ্বালানো হয় তা প্রতিদিন ভালো করে পরিষ্কার করুন। পুরনো সলতে বা নোংরা প্রদীপে পুনরায় কখনও প্রদীপ জ্বালাবেন না। পরিষ্কার প্রদীপ নতুন করে সাজালে পরিবারের বাধা-বিপত্তি দূর হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *