www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 30, 2026 12:18 pm

পুরীর শ্রী জগन्नाथ মন্দিরে আজ মহাসমারোহে পালিত হল পবিত্র ‘দেবস্নান পূর্ণিমা’

পুরীর শ্রী জগन्नाथ মন্দিরে আজ মহাসমারোহে পালিত হল পবিত্র ‘দেবস্নান পূর্ণিমা’। শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে বছরের এই একটি দিনেই গর্ভগৃহ থেকে বাইরে এনে মহাপ্রভু জগন্নাথ, বড় ভাই বলভদ্র এবং বোন সুভদ্রাকে ১০৮টি পবিত্র কলসের সুবাসিত জল দিয়ে মহাশোধন বা মহাস্নান করানো হয়। বিশ্বপ্রসিদ্ধ জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সূচনা পর্বের এটিই প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাজকীয় স্নানের ধকল সইতে না পেরে মহাপ্রভু সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন এবং আগামী ১৫ দিনের জন্য ‘অনসর’ বা একান্তে চলে যান। এই সময়ে ভক্তরা ঈশ্বরের দর্শন পান না। আসুন জেনে নেওয়া যাক দেবস্নান পূর্ণিমার এই অলৌকিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় গুরুত্ব এবং এর পেছনের কিছু অজানা কথা। জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার এই তিথিটিকে ভগবান জগন্নাথের বার্ষিক অভিষেকের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বিশেষ উপলক্ষে জগন্নাথ, বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রাকে মন্দির চত্বরের এক বিশেষ স্নান মণ্ডপে এনে অধিষ্ঠিত করা হয়।

এরপর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ১০৮টি পবিত্র ঘড়ার জল দিয়ে তাঁদের শাহী স্নান সম্পন্ন হয়। মনে করা হয়, এই মহা-অভিষেকের মাধ্যমেই বিশ্বখ্যাত রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিক ও ধর্মীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। হিন্দু ধর্মে ‘১০৮’ সংখ্যাটিকে অত্যন্ত পবিত্র ও শুভ বলে মনে করা হয়। জপমালার ১০৮টি পুঁতি হোক, ১০৮টি উপনিষদ বা ঈশ্বরের ১০৮টি দিব্য নাম— এই সংখ্যার একটি গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে। আর সেই কারণেই জগন্নাথ দেবের অভিষেকেও ১০৮টি কলস ব্যবহার করা হয়। এই কলসগুলিতে যে জল ভরা হয়, তা আনা হয় মন্দির চত্বরের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি বিশেষ ‘সোনার কুয়ো’ থেকে। নিয়ম অনুযায়ী, এই কুয়োটি সারা বছর বন্ধ থাকে এবং কেবল দেবস্নান পূর্ণিমার দিনেই তা খোলা হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *