www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

February 6, 2026 6:32 pm

আমাদের প্রাচীন দেবদেবী নিয়ে আছে বহু কিংবদন্তি

আমাদের প্রাচীন দেবদেবী নিয়ে আছে বহু কিংবদন্তি। তেমনই রহস্যতে ঘেরা এক দেবী হলেন লঙ্কেশ্বরী। লোকমুখে শোনা যায়, আজ থেকে বহু শতাব্দী আগে লঙ্কেশ্বরী দেবীর আগমন হয়। কথিত আছে, লঙ্কাধিপতি রাবণের অত্যাচারে ক্ষুব্ধ হয়ে দেবী লঙ্কা ছেড়ে সমুদ্রপথে পাড়ি দেন। একটি নৌকায় চেপে তিনি বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে এসে পৌঁছে যান মীরগোদায়। সেই থেকেই এই অঞ্চলে তাঁর অবস্থান।লিখিত কোনও তথ্য না পাওয়া গেলেও, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই বিশ্বাস আজও অটুট। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, এক সময় এই মন্দির ছিল সমুদ্রের একেবারে ধারে। তখন এই এলাকায় ছোট বন্দর ছিল, দূরদেশের বণিক আর নাবিকদের যাতায়াত ছিল নিয়মিত। লঙ্কেশ্বরী দেবী তাঁদের যাত্রাপথে তাঁদের রক্ষা করতেন।

সমুদ্রে নামার আগে দেবীর কাছে প্রার্থনা না করলে নাকি কেউ যাত্রা করত না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র পিছিয়ে গিয়েছে, বদলেছে সব কিছু। তবে লঙ্কেশ্বরী দেবীর প্রতি মানুষের বিশ্বাস আজও অটুট।ইতিহাস বলছে, বাংলায় কালাপাহাড়ের আক্রমণের সময় বহু প্রাচীন মন্দির ধ্বংস হয়েছিল। লঙ্কেশ্বরী মন্দিরও তার হাত থেকে রেহাই পায়নি। পুরনো মন্দির ধ্বংস হয়ে যায়। পরে প্রায় পাঁচশো বছর আগে স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে বর্তমান মন্দিরটি নির্মিত হয়।
এই মন্দিরের সবচেয়ে রহস্যময় দিক হল মন্দিরের ভিতরের একটি গর্ত। জনশ্রুতি অনুযায়ী কান পাতলে এখান থেকে আজও শোনা যায় সমুদ্রের গর্জন। কখনও কখনও নাকি জলও দেখা যায় সেই গর্তে। অনেকে বিশ্বাস করেন, এটি দেবীর সমুদ্রযাত্রার স্মৃতি।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *