www.machinnamasta.in

ওঁ শ্রীং হ্রীং ক্লী গং গণপতয়ে বর বরদ সর্বজনস্ময়ী বশমানয় ঠঃ ঠঃ

June 15, 2026 1:01 am

ভুবনেশ্বরী পূজা হলো দশমহাবিদ্যার চতুর্থ রূপ দেবী ভুবনেশ্বরীর আরাধনা, যিনি মহাবিশ্বের নারী শক্তি এবং সৃষ্টির সঞ্চালিকা হিসেবে পূজিত হন।

ভুবনেশ্বরী পূজা হলো দশমহাবিদ্যার চতুর্থ রূপ দেবী ভুবনেশ্বরীর আরাধনা, যিনি মহাবিশ্বের নারী শক্তি এবং সৃষ্টির সঞ্চালিকা হিসেবে পূজিত হন। সমৃদ্ধি, সুখ, ও জীবনের বাধা দূর করতে ভক্তরা এই পূজা করেন। এই পূজা সাধারণত মঙ্গলবার বা পূর্ণিমা তিথিতে, বিশেষ করে ভাদ্রপদ মাসের শুক্ল দ্বাদশী তিথিতে (ভুবনেশ্বরী জয়ন্তী) করা হয়।

  • ভুবনেশ্বরী পূজার মূল দিকগুলি:দেবীর স্বরূপ: মা ভুবনেশ্বরী ‘জগন্মাতা’ বা ‘জগদ্ধাত্রী’ নামেও পরিচিত, যিনি মহাবিশ্বের পঞ্চভূত (আকাশ, বায়ু, পৃথিবী, আগুন, জল) ধারণ করেন।
  • পূজার উদ্দেশ্য: আর্থিক সমৃদ্ধি, আধ্যাত্মিক উন্নতি, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং শত্রু বা নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য এই পূজা করা হয়।
  • পূজা বিধি:প্রস্তুতি: ঘর ও পূজার স্থান পরিষ্কার করে উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ করে বসতে হয়।
  • উপকরণ: লাল বা হলুদ কাপড়, দেবীর ছবি বা মূর্তি, ধূপ, প্রদীপ, লাল ফুল, ফল, মিষ্টি, কুমকুম, হলুদ, এবং কলশ স্থাপন।
  • মন্ত্র: পূজার সময় ভুবনেশ্বরী মন্ত্র (যেমন: “ওঁ হ্রীং শ্রীং ক্লীং ভুবনেশ্বর্যৈ নমঃ”) ১০৮ বার জপ করা হয়।
  • ভোগ ও আরতি: পূজার শেষে ভোগ নিবেদন এবং আরতি করা হয়।বিশেষ পূজা: অনেক জায়গায়, বিশেষ করে শ্রী ভুবনেশ্বরী মন্দির-এ প্রতি শুক্রবার শ্রী মহা মেরুর সাথে বিশেষ পূজা ও মন্ত্র জপ করা হয়।দেবী ভুবনেশ্বরীর পূজা মানুষকে ভয়হীনতা এবং সাফল্যের পথে নিয়ে যায় বলে বিশ্বাস করা হয়।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *